Tuesday, January 31, 2012

আগুন ও ঘুম



আগুন ও ঘুম
দুপুরে খাবার পরে আমাদের গল্পের নায়ক অমৃত অন্তর জানালা দিয়ে বাইরে তাকালোবসন্তকালের স্বচ্ছ সুনীল আকাশ, মেঘের কোনো আনাগোনা নেইতার সাততলার এই ঘরটি থেকে বোঝার উপায় নেই বাইরের প্রকৃত আবহাওয়া কী রকমনিশ্চয় তীব্র গরম হবেসে এমন জায়গায় তার চেয়ার টেবিলগুলোকে রেখেছে যেখান থেকে আকাশটাকে সুন্দরভাবে দেখা যায়
সাধারণত দুপুরে খাবার পরে সে দশ-পনেরো মিনিট চেয়ারে শরীর এলিয়ে বিশ্রাম নেয়; শুধুমাত্র চোখ বন্ধ রেখে ধীরে ধীরে শ্বাস নেয়া, এই দশ-পনেরো মিনিটের বিশ্রামের পর কাজে গতি আসে, মনোযোগ দেয়া যায় সবকিছুতে; আজও খাবারের পরে সে স্বচ্ছ নীল আকাশ দেখে চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে শুরু করেছে, হয়তো তন্দ্রামতো এসেছিলো; যখন চোখ খুললো তখন বাইরে প্রচুর ধোঁয়া দেখতে পেলজানালার বাইরে প্রচুর ধোঁয়া দেখেই সে আগুন লেগেছে বলে অনুমান করলো যেমন আমরা সবাই করে থাকিসে চতুর্দিকে দ্রুত চোখ বুলালো, না, তার ঘরের ভেতর কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি; আবার বাইরে তাকালো, তার মনে পড়লো কিছুক্ষণ পূর্বে দেখা স্বচ্ছ নীল আকাশ,  কিন্তু এখন আর আকাশ নেই, এখন আকাশে শুধুই কালো ধোঁয়া; সে নিশ্চিত হতে চাইলো, কোথায় আগুন লেগেছে
তার এখন অফিস হতে বের হবার কথা নয়; তবুও সে অনিচ্ছাকৃত অফিস হতে বের হলো; সিঁড়ি দিয়ে ছয় তলায় নামলো, সেখানে সে দুএকজন লোককে দেখতে পেল, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো উদ্বেগের ছাপ চোখে পড়লো নাসে সিঁড়ি বেয়ে নামতে থাকলো, সে বুঝতে পারলো চার তলায় সিঁড়ির শেষে আগুন জ্বলছে, তবে তেমন বেশি নয়, তার নাকে মুখে ধোঁয়া এসে লাগছে, কাগজপত্র পোড়া গন্ধও সে এখন পাচ্ছেচার তলার সিঁড়ির সামান্য আগুনটুকু সে নিরাপদেই পার হলো; সিঁড়ি দিয়ে সে নিচে তিন তলার দিকে নামতে থাকলো, না, তেমন ভীত হবার মতো সে কোনো কারণ খুঁজে পেল না
তিন তলার সিঁড়িতে সে টুকরো টুকরো আগুন দেখতে পেল, দুএক জায়গায় কেউ পানিও ঢেলেছে, হয়তো প্রথমদিকে আগুন নেভাতে চেষ্টা করেছিলো, সফল হয়নিসে নিচে নামতে থাকল এবং দুতলার সিঁড়িতে এক ব্যক্তির সাথে দেখা হলো; তাকে সে জিজ্ঞাসা করলো কোথায় আগুন লেগেছেসে ব্যক্তি বললো টিভির খবরে সে শুনেছে রাজধানী হতে অনেক দূরের এক শহরে আগুন লেগেছে, কিন্তু সেটাতো অনেক দিন আগের কথা, বেশ কয়েক বছর হবেইদানিংকালের কোনো আগুনের কথা সিঁড়ির লোকটি বলতে পারলো নাঅমৃত অন্তর দেখলো দুতলার নিচে সিঁড়ি জুড়েই আগুন জ্বলছে, সে সাহস করে আগুনের উপর দিয়েই লাফ দিলো; লাফ দেয়ার পর সে বুঝলো তার পায়ে সামান্য ব্যথা লেগেছে, কিন্তু তার শরীরের কাপড়ে কোনো আগুন লাগেনিসে ভাবলো, যাক এ যাত্রায় বাঁচা গেলসে সামান্য খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে যখন নিচে নেমে আসলো তখন বুঝতে পারলো নিচে ফায়ার ব্রিগেডের উদ্ধার কর্মিরা এসেছেতারা তাকে হাসপাতালে নিতে চাইলোকিন্তু আমাদের অমৃত অন্তর বললো, সে সুস্থ আছে, হাসপাতালে যেতে হবে না
কিছুক্ষণ সে রাস্তায় উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটাহাঁটি করলো এবং রাস্তার শেষ প্রান্তে যেখানে বাসগুলো এসে দাঁড়ায় সেখানে দেখলো একটি বাড়ির ভেতরে আগুন জ্বলছেসে ভালো করে বাড়িটির ভেতরে তাকালো এবং বুঝতে পারলো বাড়ির লোকজন তেমন উদ্বিগ্ন নয়, যে যার মতো বাড়ির কাজ করছেদুজন নারী একটি শিশুকে নিয়ে খেলা করছে, একটি কিশোর শব্দ করে পড়ছে এবং একটি তরুণী সেজেগুজে বাইরে বের হচ্ছে, হয়তো কোনো বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাচ্ছেবাড়িতে আগুন জ্বলছে অথচ লোকজনের কাজকর্ম স্বাভাবিক দেখে তার অবাক লাগলো
সে একটি সিগারেট ধরালো, প্রথমবার সিগারেটটিতে আগুন জ্বললো না, দ্বিতীয়বার সিগারেট হতে মুখের মধ্যে ধোঁয়া গেল; সে বুঝল, সিগারেট ধরেছেসে ভাবল বাড়ি গেলে কেমন হয়, সব পরিবেশটাই তার কাছে একটু অস্বাভাবিক লাগছেবাড়িতে যদি আগুন লাগে, সিঁড়ির লোকটির কথা মনে পড়লো, আরো মনে পড়লো বাসস্ট্যান্ডের পাশের আগুন লাগা বাড়িটির কথা
সে বাসায় যাবার উদ্দেশে একটি বাসে উঠলো এবং জানালার পাশের একটি সিটে বসলো যেন রাস্তার সবকিছু বা রাস্তার ধারের দৃশ্যগুলো দেখতে পায়
বাসে যেতে যেতেই সে আরো একটি বাড়িকে আগুনে পুড়তে দেখলোতবে এখানেও সে নিরুদ্বেগ লোকজন দেখে অবাক হলোসে তার পাশের যাত্রীকে জিগ্যাসা করলো শহরের কোথায় আগুন লেগেছে, কিন্তু সে যাত্রী বললো আগুন লাগার কথা সে শোনেনি তবে সে শুনেছে গত এক মাসে শহরের বেশ কিছু লোক ঘুম থেকে আর জাগেনিঅমৃত অন্তর জিগ্যেস করলো তারা কি মারা গেছে, কিন্তু সে যাত্রীটি জানাল যে তারা একদা ঘুমিয়েছিলো এবং আর কখনো জাগ্রত হয়নি; এবং বেশি কিছু সে জানে না
যাত্রীসহ আমাদের নায়ককে নিয়ে বাসটি যখন তার বাসা থেকে সামান্য দূরে তখন সে রাস্তা দিয়ে উল্টোদিকে একটি গাড়ি যেতে দেখলো যেটিতে আগুন জ্বলছেকিন্তু মজার ব্যাপার গাড়িটিতে যে দুএকজন লোক আছে তারা স্বাভাবিক, ড্রাইভারও গাড়িটিকে চালিয়ে নিয়ে গেলএটিও তাকে অবাক করলো
সে তার বাসার পাশের বাসস্টপে নামলোসে দেখল সব মানুষ স্বাভাবিকভাবেই তাদের নিত্যদিনের কাজকর্ম করছেদোকানদার ও হকারেরা তাদের বিক্রিতে ব্যস্ত, লোকজন দ্রুত হাঁটছে, দুএকজন তাকে ধাক্কা দিলো দ্রুত যাবার জন্য, একজন হকার তার কাছে টুথব্রাশ বেঁচতে চাইলো, কিন্তু তার প্রয়োজন ছিলো কলম, তাই সে হকারের কাছ থেকে কিছু কিনলো নাসে একটি দোকানে গিয়ে কলম কিনতে চাইলো, কিন্তু দোকানদার জানাল যে গত কয়েকবছর ধরে বাজারে কোনো কলম নেই, কারণ এখন আর কেউ কলম কেনে না
সে বাসায় ফিরে এলো এবং ভাবলো আজকে সন্ধ্যায় সে টিভিতে খবর দেখবেতার চিন্তায় শুধু আগুন খেলা করছিলো এবং সে ভাবছিলো সারা দেশে নিশ্চয় কোনো দুর্যোগ এসেছেকিন্তু তার পাশের বাসাগুলোর লোকজনের উকন্ঠাহীন ভাব দেখে সে নিশ্চিত হতে পারলো না দেশে সত্যিই কোনো দুর্যোগ এসেছে কী না
সন্ধ্যায় যখন সে টিভির সামনে বসলো তখন সে ভীত হবার মতো তেমন কোনো খবর পেল নাবসন্ত ও গ্রীষ্মকালে সারাদেশেই কিছু কিছু শহর ও গ্রামে আগুন লাগে এবং কিছু সম্পদ পোড়ে, এরকম দুএকটি খবর সেদিনও টিভিতে বললো, সেগুলো তেমন উদ্বেগের কিছু নয়
রাতের খাবার শেষ করে যখন সে ঘুমাতে গেল তখন প্রায় মাঝরাতকিছুক্ষণের মধ্যেই সে ঘুমিয়ে পড়লোযখন ঘুম ভাঙলো তখন সে শুনতে পেল তার শিশুটি তাকে জোরে জোরে ডাকছে, ‘বাবা ওঠো, দ্রুত ওঠো, আগুন, আগুন, বাবা, আগুন ওঠোসে দ্রুত উঠলো এবং সবাইকে জাগাতে চেষ্টা করলো, কিন্তু কেউই তার কথা শুনছে নাসে পাশের বাসায় দেখলো আগুন জ্বলছে এবং বাসার লোকজন সবাই ঘুমাচ্ছেসে আগুন আগুন বলে চিকার করে তাদের ঘুম ভাঙাতে চেষ্টা করলো কিন্তু তাদের ঘুম ভাঙলো না
সে আরেকটি বাসাতে গিয়ে আগুন আগুন বলে চিকার করলো কিন্তু এখানেও কারো ঘুম ভাঙাতে পারলো নাসে হঠা খেয়াল করলো তার শিশুটিও তার সাথে আগুন আগুন বলে চিকার করছে, কিন্তু কেউই জাগছে নাতারা একের পর এক ৮-১০টি বাসার সামনে চেঁচালো, কেউই দরজা খুললো না, সে এতক্ষণে বুঝলো তার ডাক কেউই শুনতে পাচ্ছে না, কারণ সবাই গভীর ঘুমে অচেতনতার মনে হলো সে অন্যায় করছে, কেননা বাড়ির লোকগুলো যদি ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে মারা যায় তবে তারা কম যন্ত্রণা পাবে? বরং জাগলে যন্ত্রণা পাবে বেশি

Sunday, January 29, 2012

Spoon Billed Sandpiper, A Critically Endangered Bird on the Earth.



Photo from BBC
The Spoon Billed Sandpiper (Eurynohinchus Pygmeus), is one of the most extraordinary birds on the planet. It is a very small bird in size. But its bill has evolved as a spoon and the spoon-like billed helps it to feed on its preferred, invertebrate food. It is now the rarest shorebird on the Asia-Pacific seaboard and was upgraded to Critically Endangered on the IUCN Red list, by BirdLife International in May 2008.
Photo from Wikipedia
Breeding only in the remote Arctic regions of Chukotka and Koryakia, in north-eastern Russia, it then undertakes an incredible migration south, stopping at coastal wetlands in Japan, China and Korea, to winter mainly in South-east Asia. Now it is said that the total population of the bird is only 350 or less than that. This is a migratory bird in Bangladesh. In winter, it came to the coastal area of Bangladesh and Myanmar. Bangladesh can take actions to save the bird, but the situation is diametrically opposite. Bangladesh Government has announced that they will build up a deep sea-port in an island, locally called Sonadia island, where 10% of the total population of the bird stay in winter. The China Government will invest for the deep sea-port. If Bangladesh, with the help of the Capitalists China, makes the sea-port, the bird must be extinct from the Earth. Can we want this?
Photo from SBS Project
Bangladesh Spoon-billed Sandpiper Conservation Project has been working in Bangladesh in an organized manner since 2009. The goal of the project is to conserve and conduct research on the critically endangered Spoon-Billed Sandpipers wintering along the coast of Bangladesh especially on Sonadia island. The project discovered local hunters have been hunting SBS along with other shorebirds. Since 2011 the project is working with the hunters to provide alternative income generation options and hope is that within 3-4 years the SBS will increase its population and the country will be safe for them.

The extinct Painted Stork of Bangladesh.


In Uppalpadu. AP. Photo from Wikipedia.

The Painted Stork, রাঙা মানিকজোড় বাংলাদেশের বিলুপ্ত পাখি (Mycteria Leucocephala), locally called Ranga Manikjodr, is an extinct species of Bangladesh, now lives in many other countries. But they have left the country long ago. The environment of the country is misfit for birds living. Everyday the population of each species is decreasing. But you can see a bird at Dulahajra Safari Park, Coxbazar, Bangladesh. Once upon a time, people preyed the Storks a lot and take the species as food. Nowadays this occurance happened sometimes. It is very regretful that a bird so nice in color, length and height has lost its habitat from the so-called beautiful country, our golden Bengal 'Sonar Bangla'.

Friday, January 27, 2012

The Vaol-Modhupur Shal forest of Bangladesh is going to extinct.


Occupied forest land, photo: Samakal


The Forests of Vaoal, Modhupur, locally called Vaoal-Modhupur “sal” forest, very near from Dhaka, Bangladesh; are declining for the aggression of Industries & Capitalists. Many industries have been constructed and functioned in the forest. A lot of people are working there and polluting the forests. Already tigers, bears, deer and other animals have been extinct from the forest.
Traditionally “sal” forests used to cover vast areas in the centre and east of Bangladesh. In addtion to the “sal” trees (Shorea robusta) which constitue 70 to 75% of the forest composition, this type of forest includes several valuable tree and herbaceous species like the sungrass. Biological diversity in the “sal” forests is unique. Nevertheless, the Asian Development Bank has actively promoted the destruction of the “sal” forests by considering them of low productivity, thus financing projects for tree monoculture plantations using eucalyptus and rubber among other species. Nowadays the only big patch of “sal” forest standing is that of Modhupur. Most of the forest land has been denuded, degraded, and occupied by forestry companies or displaced people.
Most of the forest is now occupied by the leaders of Awami Leage and BNP, the 2 major devastating political parties of Bangladesh. In the last 2 decades, 2000 acres forest land have been destroyed by the leaders. The forest department of Bangladesh says that 60,000 acres area is “sal” forest land. But now only 6,900 acres area exists as forest land. All the influential powerful leaders destroyed the rest 53,000 acres forest in the last half century. A long report of the daily Samakal in 2 March, 2012 presents the critically endangered position of the forest.
But the policy of Bangladesh government is anti-forest. The local leaders intrude in the forest, grab lands, cut trees and kill animals. A report of a Bengali Daily the Kaler Kanthapresented in 2008 that 93 illegal land holder established industries in the forest. A lot of illegal saw-mills are functioning in the forest and cutting trees. Roads and highways are also a tremendous threat to the forest and its wild species. To save the Vaoal-Modhupur “sal” forest, it is necessary to take actions against the intruder and destroyer of the forest.

War against Biodiversity in Bangladesh.



The extinct Greater Adjutant of Bangladesh.
12,000 species exists in Bangladesh and many of them are now on the way of extinction. About 200 species of mammals, birds, amphibians and reptiles had been extinct in the last 100 years. The actions taken by the govt. of Bangladesh make faster of their extinction. 10 illegal zoos of the country are killing species for their inexperience and lack of knowledge on wild animals. A famous daily, The Prothom-Alo reported in 27th January 2012, that the illegal collections, sells, marketing, smuggling and killing of species throughout the country are going tremendously. Moreover, the leaders of the present government are violating the laws and they established illegal zoos where critically endangered species are in threat, the report says.

killing of migratory birds. Photo by Shamakal
Killing of migratory birds is a common scenario in Bangladesh. Thousands of migratory birds visit the country and the people kill them for food or other purposes. But the administration doesn't take any action against the killers. Among 750 species of birds of the country, minimum 50 species extincted from the country and 400 species are in critically endangered position. In a report of another daily The Shamakal published that the local people of a district Vola are killing Migratory birds horribly.

Thursday, January 26, 2012

Movements become the main policy of the left parties of the Indian subcontinent.



 Oil-gas movement in Bangladesh.



The left politicians of the Indian sub-continent have been playing movement-movement game for a long time. From the very beginning of left politics in the subcontinent in 1921, the Communist Party of India tried to make a lot of movements, processions and protestations. In many movements, they had achieved a lot of success. But all their movements finally became futile when Indian National Congress and Muslim League, the two major reactionary political parties, take power in India and Pakistan. In the last 60 years, hundreds of left parties in the sub-continent take part in a lot of movements, protestations, processions, rebellions, reformations; but they failed to create revolutions or to take the power of the states.
The motto of the left politicians was not to achieve the power. Their motto was to create people’s awareness on their rights, awareness on socialism or communism, the necessity of independence, the necessity of movements etc. But actually the left politicians failed to establish their aims, aspirations, directions, purposes, destinations. Sometimes, they didn’t know what are their responsibilities and duties among the people. Now-a-days their only duty is to make processions on a lot of contemporary problematic issues. In the last 30 years, the left leaders of Bangladesh have tried to make movements; and India or Pakistan’s scenario was not different from that.
The duty of a socialist or communist or leftist party is to revolt against Capitalism and create a socialist state. Their duty is to create a program on the basis of Marxism, Leninism, Maoism or on the basis of Communist Manifesto. But all the left-wing parties of the Indian subcontinent failed to present a Manifesto that would-be the solution of the problems of the state. Indian and Bangladeshi left parties have no point-based programs on capturing power. The socialist or communist parties of Bangladesh don't take any steps or programs to take the state power except two or three parties like Naxalites who tries a lot but failed. India also is facing the same problem, no new tactics. The dogmatism, old writings & old comrades become the gods of the left parties. The old backdated thoughtless comrades are the flag-holder of the left parties. They are always uttering the same old dialogues and forgotten to create new movements. The party office is their business office. They earn their livelihood from the party and the property of the party. The leaders lost their aspirations for Revolution.

Read More:

3. Freedom, a forgotten word, that has to cross a long way.

4. Democracy in Bangladesh.

5. New Ethics of our time.

6. On the Question of Freedom of Thought.

Monday, January 23, 2012

The most violent Bangladesh India border.



India-Bangladesh border killing.



India Bangladesh border is the most violent border of the world. In the last four year, 250 people were killed in this Border and a grand total of 1039 people were killed in the last 12 years. Among them 04 people were killed in the first 2 days of the year 2013. Mainly the Indian border guard, locally called Border Security Force or B.S.F., killed those people.
In 2012, at least 42 people were killed by the border security force. Most of them were killed by bullets and another 124 people were tortured by BSF in the last year. 96 people were hijacked by the BSF. A man named Habibur Rahman of Chapainwabgonj was tortured by the BSF brutally and the media spread the video but the BSF remains the same brute.
In the last 10 (2000-2009) years a total number of 885 people killed by the BSF. In the era of the last 4 years of Awami Leage Govt. 250 people were killed by the BSF.
The Grand total number of killing in the last 12 Year:
The hanging dead body of Felani on a poster.

42 people in 2012,
34 people in 2011,
74 people in 2010,
96 people in 2009,
....................................
Grand total_ 250 at the era of Awami Leage Govt.

62 people in 2008,
120 people in 2007,
146 people in 2006,
104 people in 2005,
76 people in 2004,
43 people in 2003,
105 people in 2002,
94 people in 2001 and
39 people in 2000 were killed by the BSF.
.........................................
Grand Total_ 1035 people.

All of the people are very poor who went near the border to cultivate their land, to search foods or to tend their cattle. Most of the people are villagers and they are very gentle or harmless. The B.S.F. didn't get anyone who carried arms with them. The brutality of B.S.F. presented before the world when they killed a girl named Felani in 7th January, 2011; and her dead body had been hanging on the fences of barbed wire for five hours. 
It is very strange that India has made the fence of barbed wire in the border of the two neighboring countries. These two countries have friendship between them but India behaves with the Bangladeshi people as their enemy as the Israeli does with the Palestinians. Only three borders have the fences of barbed wire in the world. USA-Mexico, Israel-Palestine and Bangladesh-India borders have been bearing the barbed wire as the tragic mark of inhumanity.

দিল্লির আগাসন, শোষণ ও ফ্যাসিবাদ বিষয়ে আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশে দিল্লি বিরোধিতা ও তার সমাধানের পথ
দিল্লির ও বাংলাদেশের নারী নির্যাতন বিষয়ে পড়ুনঃ তুমাচিং ও দামিনি পুরুষতন্ত্র, সামন্তবাদ ও পুঁজিবাদের বলি

বাংলাদেশ সীমান্তে বিএস এফ-এর গণহত্যা বিষয়েঃ  ১২ বছরে বিএসএফ মারলো ১০৩৯ বাংলাদেশি