Wednesday, April 18, 2012

আশশেওড়া বা মটকিলা গাছ বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদ


মটকিলা বা আশশেওড়া, ফটো: Moniruz Zaman
বৈজ্ঞানিক নাম: Glycosmis  pentaphylla.
সমনাম: Glycosmis arborea (Roxb.) A. DC. Glycosmis cochinchinensis Pierre ex Engler
বাংলা নাম: দাতমাজন, মটকিলা; কওয়াটুটি, মটমটি, আশশেওড়া, Aidali, Fatik, Ban Jamir.
ইংরেজি নাম: Toothbrush Plant, Motar tree.
আদিবাসি নাম: তাতিয়াং (মারমা), হতিজ্ঞিরা (চাকমা), সি মা সেরে (মারমা), মোয়াতন (গারো).

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae - Plants
উপরাজ্য: Tracheobionta - Vascular plants
অধিবিভাগ: Spermatophyta - Seed plants
বিভাগ: Magnoliophyta - Flowering plants
শ্রেণী: Magnoliopsida - Dicotyledons
উপশ্রেণি: Rosidae   
বর্গ: Sapindales.
পরিবার: Rutaceae - Rue family.
গণ: Glycosmis Correa – glycosmis.
প্রজাতি: Glycosmis pentaphylla (Retz.) A. DC.
পরিচিতি: আশশেওড়া গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। -৪ ফুট উঁচু হতে পারে কিছু কিছু গাছ ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয় পাতায় এক থেকে পাঁচটি পত্রাংশ। পাতা ডিম্বাকৃতি, মসৃণ পাতলা পাতার রং সবুজ পাতার দৈঘ্য ৩-৪ ইঞ্চি মাঝ বরাবর প্রস্থ ২-২.৫ ইঞ্চিপাতা কাণ্ড থেকে একান্তরভাবে বের হয়। ফুল গাঢ় সবুজ। মঞ্জরি বহুপুষ্প ফুলের ব্যাস ৫-৭ মিলিমিটারপাপড়ি চার থেকে পাঁচটি। ফুল হালকা মিষ্টি গন্ধ যুক্তপুংকেশর সংখ্যা ১০টি। গর্ভদণ্ড ছোট। ফল ছোট। ১-৩টি লম্বা আকারের বীজ থাকে। নভেম্বর মাসে ফুল ও মার্চ মাসে ফল হয়। তবে ফল পাকলে গোলাপি রং ধারণ করে ফল মটর দানার চেয়ে সামান্য বড় প্রতি থোকায় ২০-৫০ পর্যন্ত ফল থাকেকাণ্ডের রং ধুসর কাণ্ড বেশ শক্ত কাণ্ডের ১.৫-২ ফুট পর্যন্ত কোনো ডালপালা হয় না বললেই চলে কাণ্ডের বেড় ১.৫-২.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। আশশেওড়া মূল, চারা বীজ থেকে জন্মায়
ব্যবহার: পাতার রস লিভারের সমস্যা, কাশি, ও বাত রোগের উপশম করে। রক্তশূন্যতা ও জণ্ডিসের চিকিসায় কার্যকরি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
বিস্তৃতি: সারেদেশের গ্রামীণ জঙ্গলে, রাস্তার দুই ধারে, জমির আইল, বাড়ির পেছনে, পুরনো দালানের ইটের খাঁজে, পুকুর পাড়ে, নদীর ধারে, ঘন ঝোপের আড়ালে। সর্বোপরি প্রায় সকল জায়গাতেই জন্মাতে, বেড়ে ওঠতে পারে এরা

আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

৩. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

৪. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ


No comments:

Post a Comment

জনপ্রিয় দশটি লেখা, গত সাত দিনের

Recommended