Wednesday, October 31, 2012

যাদুকাটা নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী










যাদুকাটা নদী

যাদুকাটা নদী বা জাদুকাটা রক্তি নদী (ইংরেজি: Jadukata River): জাদুকাটা রক্তি নদীটি বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদীনদীটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের এবং বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ সদর ও জামালগঞ্জ উপজেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৭ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৫৭ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক জাদুকাটা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ৭২। 

প্রবাহ: জাদুকাটা নদীটি মেঘালয়ের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় হতে উৎপত্তি হয়ে দক্ষিণমুখে প্রবাহিত হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়ন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে একই জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনাবাজার ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে সুরমা নদীতে পতিত হয়েছে। পাটনাই পাইকারতলা, বাউলাই এবং আবুয়া নদী এই নদীর শাখানদী। সারাবছরই এই নদীতে পানির প্রবাহ দেখা যায়। বালীজুরি ও ফাজিলপুর ইউনিয়ন এলাকায় এই নদীর ভাঙনপ্রবণতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। ভাঙনের কারণে নদীটি পূর্বের চেয়ে প্রশস্ত আকার ধারন করেছে এবং এর পানির প্রবাহ পূর্বের তুলনায় অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় অতিবর্ষণের সাময়িক ভাবে নদীর প্রবাহ স্ফীত হয়ে প্লাবনভূমিতে পরিণত হয়। শুষ্ক মৌসুমে তীরবর্তী অঞ্চলে সেচের জন্য এই নদীর পানি ব্যবহার করা হয়। সারাবছর নদীতে নৌকা এবং ট্রলার চলাচল করে।

অন্যান্য তথ্য: জাদুকাটা নদীটি জোয়ারভাটা প্রভাবিত নয় এবং নদীটি বন্যাপ্রবণ। নদীর অববাহিকায় বাংলাদেশ অংশে জোয়ালডাঙ্গা হাওর প্রকল্প ও আঙ্গুরালি হাওর প্রকল্প আছে। তবে নদীটিতে কোনো ব্যারাজ বা রেগুলেটর নেই এবং কোনো বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ নেই এই নদীর পাড়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থাপনা নেই
 
তথ্যসূত্র:
১. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ২২০, ISBN 984-70120-0436-4.



আরো পড়ুন:

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর তালিকা, A checklist of the wild animals of Bangladesh.





National animal of Bangladesh



সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশআমাদের এই বাংলাদেশে রয়েছে হাজারো প্রাণীর বাসআমরা কী জানি আমাদের পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ আমাদের এই বন্যপ্রাণীরা কেমন আছে
বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর একটি তালিকা ওয়েবে পাওয়া যাবে এরকম ইচ্ছা ছিলো আমার অনেক দিনেরএখানে এরকম একটি তালিকা দেয়া হলোদেয়ার একটিই উদ্দেশ্য বাংলাদেশ থেকে আর একটি বন্যপ্রাণীও যাতে বিলুপ্ত না হয়এবং আমি আশাবাদি আমরা চাইলেই এটি করতে পারবোআসুন আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজাতিগুলোকে এবং আমাদের পরিবেশকে বাঁচাই
বাংলাদেশের মোট বন্যপ্রাণির প্রজাতি সংখ্যা হলও।

স্তন্যপায়ীর মোট প্রজাতিঃ            ১২৪টি
পাখির মোট প্রজাতিঃ              ৬৫৬টি
সরীসৃপের মোট প্রজাতিঃ  ২৯+৩২+৯২+৩=১৫৬টি
উভচরের মোট প্রজাতিঃ              ৩৪টি
                        মোট= ৯৭০টি

এখানে বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী, পাখি, সরীসৃপ, ও উভচর প্রাণীর তালিকা নিচের লিংকগুলোতে ক্লিক করলেই পড়তে পারবেন। আপনারা এটির লিংক ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু সকলের কাছে অনুরোধ এই তালিকা কেউ অন্য কোনো সাইট বা ব্লগে কাট-পেস্ট করবেন না।

৩. সরীসৃপের তালিকা,

ক. বাংলাদেশের কচ্ছপ, কাইট্টা ও কাছিমের তালিকা,


Sunday, October 28, 2012

টাংগন নদী বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী




ঠাকুরগাঁওয়ে টাঙ্গন নদী
টাংগন নদী: টাংগন নদী বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এই নদীটি পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ১২৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১২০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকারবাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক টাংগন নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৪৮।[১]

প্রবাহ: টাংগন নদী পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের বিলাঞ্চল হতে উৎসারিত। অতঃপর নদীটি ঠাকুরগাঁও জেলাধীন পীরগঞ্জ উপজেলার বাইরচুনা ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছে। মৌসুমি প্রকৃতির এ নদীতে বর্ষার সময় পর্যাপ্ত মাত্রায় পানি প্রবাহিত হয়। এ সময় নদীর পাড় উপচে তীরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে থাকে এবং বিভিন্ন অংশে ভাঙনপ্রবণতা পরিলক্ষিত হয়। তবে শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানির প্রবাহ থাকে না। সোং ও সেনুয়া এই নদীর উপনদী।

অন্যান্য তথ্য: টাংগন নদী পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী, বোদা, ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটি জোয়ারভাটা প্রভাবিত নয়। টাংগন নদীর অববাহিকার প্রকল্প হচ্ছে টাংগন ব্যারাজ সেচ প্রকল্প, ঠাকুরগাঁও শহর রক্ষা প্রকল্প এবং বুড়িবাঁধ সেচ প্রকল্প। ঠাকুরগাঁও পৌরসভা এই নদীর তীরে অবস্থিত। নদীটিতে ০.৯৫ কিলোমিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ আছে।

তথ্যসূত্র:
১. মানিক, মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি, ২০১৫)। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতিঢাকা: কথাপ্রকাশপৃ: ১১৮-১১৯।