Thursday, February 21, 2013

গোষ্ঠিতন্ত্র কী এবং কেন প্রতিরোধ করতে হবে




Oligarchy বা গোষ্ঠিতন্ত্র হচ্ছে স্বল্প সংখ্যক লোকের ক্ষমতা এবং এটি শোষক রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম রূপ। গোষ্ঠিতন্ত্রে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে মুষ্টিমেয় ধনিদের হাতে কেন্দ্রিভুত থাকে। ধনকুবের গোষ্ঠিতন্ত্র সাম্রাজ্যবাদি ব্যবস্থায় রাষ্ট্র যন্ত্রকে বশ করে, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও বৈদেশিক নীতি নিয়ন্ত্রন করে, দেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করে।
পত্তির দিক দিয়ে গোষ্ঠিতন্ত্র গ্রিক শব্দ λιγαρχία (অলিগারখিয়া/ oligarkhía) থেকে এসেছে যেটি λίγος (অলিগস/olígos) থেকে জাত এবং এর অর্থ কতিপয়/"few"বং  ρχω (আর্কো/archo) শব্দের অর্থ শাসন করা বা নির্দেশ করা।
গোষ্ঠিতন্ত্র এমন ধরণের ক্ষমতা কাঠামোকে বোঝায় যাতে ক্ষমতা মাত্র কতিপয় ব্যক্তির উপর অর্পিত থাকে। এই ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হতে পারে রাজকীয়তা, সম্পত্তি, পারিবারিক বন্ধন, শিক্ষা, কর্পোরেট বা সামরিক নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে।গোষ্ঠিতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রায়ই শাসিত হয় কতিপয় বিশিষ্ট পরিবারের দ্বারা যারা তাদের প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম রেখে যায়।
ঐতিহাসিক কাল থেকেই গোষ্ঠিতন্ত্রসমূহ হয়ে এসেছে স্বৈরাচারি এবং এটি নির্ভর করে জনতার দাসত্বের বা নম্রতার উপরে। এরিস্ততল প্রথম এই শব্দটিকে ব্যবহার করেছিলেন ধনিদের শাসনের অর্থে। আধুনিককালে গোষ্ঠিতন্ত্র বলতে সামরিক, সাম্রাজ্যবাদি, বা পরিবারতান্ত্রিক শাসনকে বোঝানো হয়।  

No comments:

Post a Comment