Thursday, June 06, 2013

বিপন্ন শ্রমিকদের ইতিহাস





৭. 
নিজে বাঁচলে সবার বাঁচা হবে

কবার বাঁচলে দেশ বেঁচে যাবে?
কার বাড়িতে সব বিদেশি পাখি
বিদেশি গাছে ভরছে চার আঁখি
নিজে বাঁচা যায় না-তবু বাঁচা
নিজের বাড়ি নিজের দেশে খাঁচা
সন্তানাদি বাঁচার ্ষীণ আশা
আশা বাঁচে গভীর পোড়া বুকে
আশা বাঁচে স্তালিনও বাঁচে
ফিরে এসো তুমি আমার পাড়াগাঁয়
একুশ শতকে কে শ্রীচৈতন্যের কাছে প্রেম কিনতে যায়
তবু সকাল শিল্পনগরিতে
ঝড় হয়ে উড়ে তোমার হৃদয় থেকে আমার খালি হাতে
শ্রমিক ঘোরে যন্ত্র ঘোরে সাথে;
প্রেম দিয়ে কী শ্রমিকতন্ত্র, আমার ঘরে আনে ভালোবাসার মন্ত্র
প্রেম কী ওড়ে বাঙলাদেশের আকাশে শহরে?  

প্রেম পাবি তুই কার কাছে
মুক্তি পাবি কোন ময়দানে
কে তোমাকে শোনায় কবিতা
গল্পে জাগায় কে
ঘুম পাড়ানি মাসিপিসি জাগবে আবার কবে
কে তোমার  টুঁটি চেপে ধরে
কার আক্রমনে কেবা মরে
কোন পথে গেলে আর্দশ পাওয়া যায়?
ওখানে প্রজাপতির মতো আমরা যেতে চাই
দেখছেন, এক নেতা বহুদিন থেকে বোঝাচ্ছেন
গান গল্প, কথায় ঈশারায়, ব্যর্থতা কান্নায়,
শোনাচ্ছেন প্রজন্মের বাঁকঘোরা,
কেন মানুষ ইতিহাস নিজেদের নিয়মিত পোড়ায় পচায়,
কেন তারা প্রতিবাদীকে মহত মনে করে,
কেন েউ কেউ
মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নেয়
কেন দেশে দেশে কোন্দল যুদ্ধ
নিজেদের তৈরি রাষ্ট্রকে ভাঙতে কেন এতো রক্ত যায়,
একটি রাষ্ট্র ১৫ টুকরো হলেও কেন জনও মরে না
উড়ে এসে কেন দখল হলো অনেক জায়গা
আফ্রিকার জ্যামিতিক মানচিত্র আমাদের উপরে চাপিয়ে দিলো
সেইসব সভ্যেরা
আর আমাদে নেতারা
হিঙসা বিদ্বেষ লোভ নকলে গিয়ে
নিজেদের ভুলে গেল
জনগনের উপরে পড়ে রইল নিজেদের লাশ
আর আমাদের স্বাধীনতা শব্দটি কী অর্থ প্রকাশ করে তা
শক্তিধরটির কার্যালয়ের সামনের বিপন্ন বিষন্ন মানুষটির
চোখে চোখ রাখলে টের পাওয়া যাবে

No comments:

Post a Comment

জনপ্রিয় দশটি লেখা, গত সাত দিনের

Recommended