Saturday, August 03, 2013

পলাশ ক্রান্তীয় ও উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলের ফুল




পলাশ ফুল ও গাছ, ফটো: অনুপ সাদি, ১৫.০২.২০১৪ হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান
বৈজ্ঞানিক নাম: Butea monosperma
সমনাম: Butea frondosa, Erythrina monosperma, Plaso monosperma
বাংলা নাম: পলাশ  
সাধারণ নাম: Palash पलाश, Dhak ढाक, Palah, पलाश, Flame of the Forest, Bastard Teak, Parrot Tree, Keshu (Punjabi) and Kesudo (Gujurati
হিন্দি নাম: Palash पलाश, Dhak ढाक, Tesu टेसू
মনিপুরী নাম: পাঙ গোঙ

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae - Plants
বর্গ: Fabales
পরিবার: Fabaceae
গণ: Butea
প্রজাতি/Species: Butea monosperma


বিবরণ: মাঝারি আকারের পত্রঝরা বৃক্ষ। ৮-১০ মিটার পর্যন্ত বড় হয়। গোড়ার বাকল ফাটা হলেও আঁকাবাঁকা শাখা প্রশাখা। বাকল মসৃণ। বোঁটায় তিনটি করে পাতা থাকে। ফাল্গুনে গাছের পাতা ঝরে যায় এবং তখনই গাছে কুঁড়ি আসে। চৈত্রে যখন সারা গাছে কমলা-লাল রঙের ফুল ফোটে তখন সেই অগ্নিকান্তি রূপ দেখে মনে হয় আগুন লেগেছে। পলাশ ফল ছোট, শিমের মতো; দুই থেকে চার সেন্টিমিটার লম্বা হয়।
বিস্তৃতি: পলাশ হচ্ছে  Butea গণের বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া এবং পশ্চিম ইন্দোনেশিয়ার একটি প্রজাতি।
পলাশ ফুল
সাহিত্যে: আমায় গেঁথে দাওনা মাগো একটা পলাশ ফুলের মালাঅথবা নজরুলগীতির হলুদ গাঁদার ফুল রাঙা পলাশ ফুল এনে দে এনে দে নইলে বাঁধবো না বাঁধবো না চুল _ এই দুই গানের সেই পলাশ ফোটে ফাগুনে। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন ‘ওরে পলাশ, ওরে পলাশ, রাঙা রঙের শিখায় শিখায় দিকে দিকে আগুন জ্বলাস’। ছোট বেলায় আমাদের অনেকের বাড়ির সামনে বা পুকুর পাড়ে একটা পলাশ ফুলের গাছ ছিল। পুরো গাছ জুড়ে ফুটে থাকতো পাতাবিহীন পলাশ ফুল, অনেক পাখি বসতো ফুলের মধু খেতে, আর আমরাও পলাশ ফুলের মধু খেতাম আর ফুলের মধ্যের সাদা অংশটির মধ্যের শাসটি বের করে বাঁশি বাজাতাম

No comments:

Post a Comment