Saturday, August 10, 2013

মাথাভাঙ্গা বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী




মাথাভাঙ্গা নদীর প্রবাহ
মাথাভাঙ্গা নদী (ইংরেজি: Mathavanga River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী নদীটি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এই নদীটির দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার, প্রস্থ ২৯ মিটার এবং দর্শনার নিকট গভীরতা ১০ মিটার নদী অববাহিকার আয়তন ৫০০ বর্গকিলোমিটার সাধারণত এই নদীর তীর উপচে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বন্যা হয় না নদীটি জোয়ার-ভাটার প্রভাবমুক্তবাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক মাথাভাঙ্গা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৭৬

প্রবাহ: মাথাভাঙ্গা নদীর উৎপত্তি মুর্শিদাবাদ জেলার জলাঙ্গির উৎস থেকে আনুমানিক ১৬ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে পদ্মা নদী হতে। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড এটিকে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নে প্রবহমান পদ্মা নদী থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে বলে উল্লেখ করেছে। এরপর নদীটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার হাওলি ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে ইছামতি-কালিন্দি নদীতে পতিত হয়েছে। এ নদীর প্রবাহ মৌসুমি প্রকৃতির, শুষ্ক মৌসুমে নদীটি পদ্মা নদী থেকে পানির জোগান পায় না।

অন্যান্য তথ্য: মাথাভাঙ্গা নদীটি জোয়ার ভাটার প্রভাবে প্রভাবিত এবং নদীটি বন্যাপ্রবণ। নদীর অববাহিকায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প রয়েছে। রয়েছে তবে নদীটিতে কোনো ব্যারাজ বা রেগুলেটর নেই, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধও নেই। নদীর তীরে নুদাপাড়া গোডাউন, হাবোয়ালিয়া হাট, মুন্সিগঞ্জ হাট ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:  
১. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬৬-৬৭, ISBN 984-70120-0436-4.

আরো পড়ুন:

. বাঙলার নদীগুলো মারা যায় যেসব কারণে

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা

৪. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ

No comments:

Post a Comment