Wednesday, February 05, 2014

বাংলাভাগে যন্ত্রণাবিদ্ধ মহান চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটক



ঋত্বিক ঘটক ও রাজনীতি
ঋত্বিক ঘটক (৪ নভেম্বর, ১৯২৫ - ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬) বাংলা চলচ্চিত্রের মহান পরিচালক। তিনি সর্বাপেক্ষা দগ্ধ ছিলেন বাংলা ভাগের যন্ত্রণায়। আর ঋত্বিকের অবগাহন যে নদীটিতে তার নাম বাংলা দেশ। এই নদী বয়ে গেছে দেশভাগ, দেশত্যাগ, নির্বাসন, ছিন্নমূলতা, যুদ্ধ, শ্রেণিসংগ্রাম ইত্যাদির ভেতর দিয়ে। এই নদী ছিল সৃষ্টি, নির্মাণ, প্রলয় আর ধ্বংসের দুই তীর ছড়িয়ে। আর এই নদীর সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ছিলেন মহান শ্রমিক আর কৃষকগণ। এই শ্রমিক-কৃষক জনগণের জীবনের আশা-নিরাশা-হতাশার চিত্র তিনি এঁকে গেছেন সারা জীবন ক্যামেরার চোখ দিয়ে, যেই ক্যামেরাটি সবসময় খুঁজে ফিরেছে এক দুঃখিনী বঙ্গভূমির লড়াকু সন্তানদের
ঋত্বিক বাঙলার একটি নদীর নাম। বাঙলার অজস্র নদীর ভিড়ে ঋত্বিক অবিভক্ত গঙ্গা-পদ্মা-মেঘনার সম্মিলিত রূপ। ঋত্বিক বাঙলার মহিমা কীর্তন করেন না, তিনি বাঙলাকে যেভাবে দেখেছেন সেভাবেই ফুটিয়ে তোলেন, এই কারণেই তিনি বাস্তববাদী শিল্পী। তার মূল লড়াইটি থাকে বণিকের আর বণিকপন্থি লোভি রাজনিতিকদের বিরুদ্ধে। সওদাগররাই জাগনার চর দখল করে, নদীকে খণ্ডিত করে। আজ শুধু নদীগুলোই খণ্ডিত নয়, বাংলাও খণ্ডিত; আর এই খণ্ডনে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে সদাগরেরা এবং বণিক ও শোষণপন্থি প্রতিক্রিয়াশীল কংগ্রেস ও মুসলিম লিগের গণশত্রু রাজনীতিবিদরা আর জনগণের এই এই শত্রুরা ‘নিজেদের মনুষ্যত্বকে বিকিয়ে দিয়ে জোরগলায় জাহির করে’ বেড়িয়েছেন ছিন্নমূল বাঙালির এটাই নাকি বিধিলিপি এইসব লোভাতুরের বিরুদ্ধে তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করতে পারেন,
“... আমি সংগ্রামী মানুষের পাশে এসে দাঁড়াবার ক্ষমতা রাখি। তাদের আমি ভুলে যাইনি, অভাব-অনটন-অপবাদ কিছুই আমাকে পথভ্রষ্ট করতে পারবে না, তার জন্য যে মূল্যই দিতে হয় আমি প্রস্তুত। মরবার আগে আমি প্রমাণ করে দিয়ে যাব আমার চারপাশের জনতার চাইতে আমি অন্যরকম।”[১]  
সেই অন্যরকম মহান মানুষ ঋত্বিক জানেন, পৃথিবীর সব কিছুই রাজনীতিনিয়ন্ত্রিত। রাজনীতির বাইরে পৃথিবীতে কেউ নেই। রাজনীতিকে পালটাতে না পারলে কিছুই বদলাবে না তাই তিনি রাজনীতি সম্পর্কে আশপাশের মানুষগুলোর ধারণাকে বদলে দেবার জন্য দৃঢ়স্বরে বলেছেন,  
“রাজনীতি জীবনের একটা বিরাটতম অংশ, রাজনীতি ছাড়া কিছুই হয় না, প্রত্যেকেই রাজনীতি করে, যে করে না বলে সে- করেঅ্যাপোলিটিক্যাল বলে কোনো কথা নেই You are always a partisan, for or against”.[২]
আমাদের ভুয়া-কমিউনিস্টরা কী নিজেরা বিভ্রান্ত ছিলেন, নাকি তারা প্রতারণা করার জন্য সুবিধাবাদী লাইন গ্রহণ করেছিলেন? সিপিআই এবং সিপিএম-এর নেতাদের কংগ্রেসের লেজুড়বৃত্তি এবং টাকার লোভ দেখে এখন সুস্পষ্ট যে এইসব দলের নেতারা বাটপারিতে ওস্তাদ ছিলেন। কিন্তু যুক্তি-তক্কো- আর গপ্পো ছবিতে নকশালপন্থীদের উদ্দেশে ঋত্বিকরূপী নীলকণ্ঠ বাগচীর সংলাপ একটা লম্বা সংলাপ ছিল, যেখানে তিনি নকশালপন্থী নেতাদেরকেও অভিযুক্ত করেন। তার এই অভিযোগ সঠিক না। তিনি ছবিতে বলছেন,
তোমাদের সিনসিয়ারিটি তোমাদের বীরত্ব এ সবে আমার সন্দেহ নেই। কিন্তু তোমরা সম্পূর্ণ মিসগাইডেড!... ”[৩]  
এই সংলাপকে কী ইতিহাস ভুল প্রমাণ করেনি। সম্পূর্ণ মিসগাইডেড হয়ে কংগ্রেসের পা চাটতে চাটতে কী জীবন অতিবাহিত করতে হলও না আধা-ফ্যাসিবাদি প্রতিক্রিয়াশীল জ্যোতি বসু ও তার চামচাদের।
তিনি সেই সিনেমায় নীলকণ্ঠ বাগচীর সংলাপে আরো বলছেন,
‘‘সব মাতাল, ... আমাদের সমস্ত জেনারেশনটার কোনো ভবিষ্যনেই। প্রস্তুতি, একটা কিছু থাকতে হবে। অনেক পথ। আমাদের বাংলার হিস্টোরি কন্ডিশনটা কেউ সাইয়েন্টেফিকলি রিয়েলাইজ করেনি, বিজ্ঞানের সূত্রে ইলাস্টিক গ্রোথ হয়নি। এবং ইকোনমিক কগুলো গত ২০০ বছরের উত্থান-পতন বিশেষ করে এ যে ৪৭ সালের বিশাল বিশ্বাসঘাতকতা, জাতীয় মুক্তি আন্দোলন, ন্যাশনাল লিবারেশনের পিঠে ছুরি মেরে বুর্জোয়াদের ১৫ আগস্টের বিরাট বিট্রেয়া, ইন্ডিপেনডেন্স। থু...।’’[৩]  
এ যেন এক মাতাললুরীতে পড়ে থাকা এক মহাজ্ঞানীর খেদোক্তি। ইয়ে আজাদী ঝুটা হ্যায়_এর চেয়ে বড় সত্য আর গত ৫০ বছরে কিছু নেই। সেই মহাসত্যটি থেকে ভুয়াকমিউনিস্টরা সরে এলেও তিনি সরেননি।
মানুষকে জাগানোর জন্যই তিনি ছবি বানিয়ে গেছেনকঠিন কঠোর জীবন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত কাজ করে গেছেন। একমাত্র এই সিনেমা-শিল্পীই সরাসরি বলার মতোন ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন,
সিনেমার প্রেমে আমি পড়ে নেই, মশাই। আমি গল্প লিখতাম। দেখলাম, গল্পের থেকে নাটকে আরও বেশি লোককে অ্যারাউজ করা যায়। তার পর দেখলাম, নাটকের থেকে সিনেমা আরও শক্তিশালী। যে দিন আরও শক্তিশালী মাধ্যম বেরোবে, সিনেমাকে লাথি মেরে চলে যাব।”[৪]  

বাংলা চলচ্চিত্রের আকাশে নক্ষত্রের আলোতে আলোকিত ঋত্বিক ঘটকএখন পর্যন্ত বিভিন্ন চলচ্চিত্র প্রেমীদের কাছে তাঁর পরিচালিত ছবিগুলো একেকটি ইতিহাস হয়ে আছে। চলচ্চিত্র সম্পর্কে ঋত্বিক ঘটক বলতেন,
আমি প্রতি মুহূর্তে আপনাকে ধাক্কা দিয়ে বোঝাব যে, it is not an imaginary story, বা আমি আপনাকে সস্তা আনন্দ দিতে আসিনি। প্রতি মুহূর্তে আপনাকে হ্যামার করে বোঝাব যে যা দেখছেন তা একটা কল্পিত ঘটনা, কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে যেটা বোঝাতে চাইছি আমার সেই থিসিসটা বুঝুন, সেটা সম্পূর্ণ সত্যি সেটার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করানোর জন্যই আমি আপনাকে এলিয়েনেট করব প্রতি মুহূর্তে।
যদি আপনি সচেতন হয়ে উঠেন, ছবি দেখে বাইরের সেই সামাজিক বাধা বা দুর্নীতি বদলের কাজে লিপ্ত হয়ে উঠেন, আমার প্রোটেস্কে যদি আপনার মধ্যে চারিয়ে দিতে পারি তবেই শিল্পী হিসেবে আমার সার্থকতা।”[৫]
বিশ্বের আর কোন ফিল্মনির্মাতাকে এতো কাটখড পোড়াতে হয়নি; আর্থিক টানাপোড়ানে সেলুলয়েড ফিতার সাথে যুদ্ধ করতে হয়নি। যতটা কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন আমাদের ঋত্বিক কুমার ঘটক। একরাতে ঋত্বিক কুমার ঘটকের মাথায় দারুএক চিত্রনাট্য আসলো। তার মধ্যে তীব্র অস্থিরতা এবং টপটানি শুরু হলো। চিত্রনাট্যটিতে তাকে লিখতেই হবে। পুরো বাসা খুঁজে বের করলেন একটু দোয়াতের কালি। কোথাও লেখার কিছু পাচ্ছেন না; কাগজ কেনারও টাকা নেই। কিন্তু সৃষ্টিশীল মানুষ যে তার সৃষ্টিশীলতার প্রসববেদনার কষ্ট আর আনন্দে অস্থির।
পুরো ঘর খুঁজে ছোটবোনের একটা শাড়ি পেলেন। লাল পাড়ের সাদা শাড়ি। রাতভর সে শাড়িতে লিখলেন তিতাস একটি নদীর নামছবির চিত্রনাট্য।
সকালে বোন ভবি পুজো দেয়ার জন্য শাড়ি খুঁজছেন। ত্বিকের কাজ দেখে বললেন- ভবা তুই একি করলি?
ঋত্বিক ঘটক বললেন- তোর শাড়ি শুধুই শাড়ি থাকতো; দেখিস তোর শাড়ি একদিন ইতিহাস হবে।
ঝড়ের বেগে ঋত্বিক পঞ্চাশের দশকে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ঢুকে পড়ে সবকিছু ওলট পালট করে দেওয়ার স্বপ্নে আমৃত্যু ডানা ঝাপটে গেছেন। মানুষের প্রতি, জীবনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে, মানুষের আরো কাছাকাছি শিল্পকে পৌছে দেওয়ার ব্রত নিয়ে রঙ্গমঞ্চের টিনের তলোয়ার ছুড়ে ফেলে ক্যামেরা হাতে নেমে পড়েছিলেন তিনি। আবার সাথে সাথে এও উচ্চারণ করেছিলেন মানুষের কাছে পৌছানোর জন্য চলচ্চিত্রের চেয়ে বড় কোন মাধ্যম যদি তিনি খুজে পান তাহলে লাথি মেরে চলে যাবেন। তিনি বলেছিলেন, “ইমিডিয়েট সাকসেস শিল্পের শেষ কথা নয়, শিল্প মানে লড়াই হ্যাঁ। এই লড়াই তিনি চালিয়ে গেছেন। সবাই যখন আত্মবিক্রির প্রতিযোগিতায় লিপ্ত তখন চির দুর্বিনীত ঋত্বিক দৃপ্ত কন্ঠে বলেছিলেন- আমি একাই লড়ে যাবো
আপোষহীন শিল্পী ঋত্বিক। শিল্পের সাথে কোনো জোচ্চুরি করবেন না বলে, সংগ্রামের সাথে কোনো আপোষ করবেন না বলে সমস্ত শর্তসাপেক্ষ সুযোগকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করে গেছেন। বিক্ষোভ জানিয়ে গেছেন শিল্প-সাহিত্যের বৈশ্য আর মহাজনদের প্রতি। পয়সার লোভে আত্মবিক্রির হাটে নিজের শিল্পী স্বত্বাকে বিকিয়ে দেননি। কারো হুকুম মেনে চলেননি। বাংলা চলচ্চিত্রের দামাল শিশু ঋত্বিক কারো কাছে নতি স্বীকার করেননি।
দেশভাগের ঝড়ে নীড়হারা এই নদীর আর্তনাদের স্বর অনুরণিত হয়েছে তার সমস্ত সৃষ্টি জুড়ে। দুই বাংলার মাঝে কাঁটাতারের বেড়ায় বিদ্ধ হয়েছে এই নদীর বুক। দেশবিভাগের কারণে বাস্তুচ্যুত, উন্মুল মানুষের অস্তিত্বের সংগ্রাম, স্বার্থের সংঘাত, অনিবার্য পরাজয় বার বার তুলে ধরেছেন সারাটি জীবন গভীর মমতায়। সৃষ্টি করেছেন সেই ট্র্যাজেডির অনিবার্য বলি নীতা, ভৃগু কিংবা সীতাদের। কে ভুলতে পারে মেঘে ঢাকা তারানীতার সেই মর্মভেদী আর্তনাদ, নির্মম আকুতি-
দাদা, আমি কিন্তু বাঁচতে চেয়েছিলাম”।  
ঋত্বিক কী বেসামাল, বেহিসেবি ছিলেন। তিনি কী মদ্যপ? সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তার স্মৃতিচারণায় জানান, এই বেহেড মাতালের উপদ্রবে যুক্তি তক্কো আর প্পো’ প্রিমিয়ার শো পণ্ড হতে বসেছিল। গালিগালাজ আর উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে স্রষ্টা ঋত্বিককে চ্যাংদোলা করে বাইরে ফেলে রেখে এসে দর্শকরা তার সৃষ্টিকর্ম যুক্তি তক্কো আর প্পো’ উপভোগ করল!
তিনি বাঙালি উঠতি মধ্যবিত্তের ভুলপথে হাঁটেননি। বাঙালি লোভী মধ্যবিত্তরা যখন দেশকে ভাগ করে টাকা আর সম্পদকে পূজা করা শুরু করেছে তখন এই মহান শিল্পী সমাজের অসংগতি, অবক্ষয়ে যন্ত্রণাকাতর হয়ে দেখিয়ে দিলেন টাকার দাস ভুয়াকমিউনিস্টরা হতে পারে, কিন্তু ঋত্বিক ঘটক একজনই, যিনি সম্পদ হেলায় উড়িয়ে দিয়েছেন জীবনের মদিরা পান করে। সমর সেনের সেই মূল্যায়নই সঠিক যে ঋত্বিকের বেহিসেবি জীবন তার শিল্পের ওপর প্রভাব ফেলে নি
ঋত্বিক কনফিউছিলেন না। বরং কনফিউজড ছিলো যুক্তি তক্কো আর গপ্পোতে শালবনে বসে চরমপন্থীদের সাথে আলাপচারি ক্ষয়ে যাওয়া, পঁচে যাওয়া ফুরিয়ে যাওয়া নিম্নমধ্যবিত্ত আঁতেলনীলকন্ঠ বাগচী’। এই আঁতেল গোটা দেশের উঠতি সুবিধাবাদী ভুয়া-কমিউনিস্টদের এক জাঁদরেল প্রতীক। নীলকন্ঠ বাগচী শালবনে বসে চরমপন্থীদের সাথে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে বলেন "I am totally confused". এই দ্বিধা পাপাচারি মধ্যবিত্ত-নিম্নমধ্যবিত্তের শ্রমবিমুখতার দ্বিধা। যে মধ্যবিত্ত লড়বে না, শ্রমিক-কৃষকের সাথে ঐক্যবদ্ধ হবে না, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে লিপ্ত হবে না, কিন্তু ভোগ করতে চাইবে সবকিছু।
ঋত্বিক ছিলেন কৃষক-শ্রমিকের মতোই লড়াইপ্রিয়। তাকে নিয়ে এই আলোচনা তাকে চেনার এক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আমরা তাকে চিনবো আমাদের লড়াইকে চেনাবার উদ্দেশ্যে। তাকে আমরা তার সমস্ত কাজ দিয়ে মূল্যায়ন করতে পারলেই তার কর্মময় জীবনকে আবিষ্কার করা হবে, কারণ তিনি সেই মানুষদের জন্যে লড়ে গেছেন যারা অপরাজেয়। তাই তিনি অমন সাহসী উচ্চারণে বলতে পারেন ‘ছবির জগতে আমি কোনোদিন জোচ্চুরি করিনি’। সারাজীবন তিনি ছিলেন সত্যের জন্যে যুদ্ধরত, মানুষের জন্য নিবেদিত। সেখানে কোনো প্রতারণা নেই। কেননা তিনি ‘মানুষকে ভালোবাসতেন পাগলের মতো। তার মতে “মানুষের জন্যেই সবকিছু। মানুষই শেষ কথা। সব শিল্পেরই শেষ পর্যায়ে মানুষে পৌঁছতে হয়। যারা তা করেন না, তারা শিল্পী বলে’[৬] তার কাছে কোনো মর্যাদা পাবে না। তাই তিনি প্রচন্ড প্রতিক্রিয়াশীলতার মাঝখানে ছবিতে কিন্তু কোনো অবক্ষয়ের নজির আনেন না
 
তথ্যসূত্র ও টিকা:
১. শিবাদিত্য দাশগুপ্ত ও সন্দীপন ভট্টাচার্য সম্পাদিত, সাক্ষাত ঋত্বিক; দীপায়ন কলকাতা; জানুয়ারি, ২০০০; পৃষ্ঠা-১৬২।
২. ঐ, পৃষ্ঠা-৬০।
৩. যুক্তি তক্কো আর গপ্পো ছবিতে নীলকণ্ঠ বাগচীর সংলাপ।
৪. চিত্রবীক্ষণের সাথে সাক্ষাতকারে, এ বিষয়ে ঋত্বিকের বিস্তারিত মতামত পাবেন শিবাদিত্য দাশগুপ্ত ও সন্দীপন ভট্টাচার্য সম্পাদিত, সাক্ষাত ঋত্বিক; দীপায়ন কলকাতা; জানুয়ারি, ২০০০ গ্রন্থের ৮২ নং পৃষ্ঠায়।
৫. শিবাদিত্য দাশগুপ্ত ও সন্দীপন ভট্টাচার্য সম্পাদিত, সাক্ষাত ঋত্বিক; দীপায়ন কলকাতা; জানুয়ারি, ২০০০; পৃষ্ঠা-২২।
৬. ঐ, পৃষ্ঠা-৩০।
 
রচনাকালঃ ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪, রাঙ্গাচারার মোড়।

No comments:

Post a Comment