Thursday, May 15, 2014

বিজনী নদী বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার একটি আন্তঃসীমান্ত নদী




বিজনি নদীর প্রবাহ
বিজলি নদী বা বিজনী নদী (ইংরেজি: Bijoli River) বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এই নদীটি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ভারতের প্রিপুরা প্রদেশের পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২৩ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকারবাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক বিজলি নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ১৩[]

প্রবাহ: বিজলি নদী  ভারতের প্রিপুরা প্রদেশের পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপত্তি লাভ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার বিনোতিপুর ইউনিয়ন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। অতঃপর নদীটি একই জেলার আখাউড়া উপজেলার ধারখারন ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে তিতাস নদীতে পতিত হয়েছে। নদীটির মোট গতিপথের প্রায় ২০ কিলোমিটার বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। মৌসুমি প্রকৃতির এ নদীতে সারাবছর পানির প্রবাহ থাকে না এবং শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে জানুয়ারি-মার্চের দিকে নদীটি পুরোপুরি শুকিয়ে যায়। তবে বর্ষার সময় পর্যাপ্ত মাত্রায় পানি প্রবাহিত হয়, এ সময় পাহাড়ি ঢলের কারণে নদী অববাহিকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। একই সাথে কিছু কিছু এলাকায় ভাঙনপ্রবণতাও পরিলক্ষিত হয়।

অন্যান্য তথ্য: বিজলি নদী বাংলাদেশের কসবা ও আখাউড়া উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটি জোয়ারভাটা প্রভাবিত নয়। বিজলি নদীর অববাহিকার প্রকল্প হচ্ছে বিজলি ও সোনাই নদী প্রকল্প, খারকোট-চৌকিমুখা খাল প্রকল্প। কসবা পৌরসভা এই নদীর তীরে অবস্থিত। নদীটিতে বাংলাদেশে কোনো বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ  এবং ব্যারাজ বা রেগুলেটর নেই

তথ্যসূত্র:
১. মানিক, মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫,ঢাকা, পৃ: ৩০৪-
 




আরো পড়ুন:

No comments:

Post a Comment