Thursday, July 31, 2014

কেও বাংলাদেশের কন্দজাতীয় ঔষধি ফুল গাছ



কেও বা কেওমূল, ফটো: মাজহারুল ইসলাম
বৈজ্ঞানিক নাম: Cheilocostus speciosus
সমনাম: Banksea speciosa, Hellenia speciosa
বাংলা নাম: কেও, কেওমূল, কুস্তা, বন্দুই, শটি,
হিন্দি নাম: কেওকন্ড, কুষ্ট
সংস্কৃত নাম: কুষ্ঠা
ইংরেজি নাম: crêpe ginger

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae - Plants
অবিন্যসিত: Angiosperms
অবিন্যসিত: Monocots
অবিন্যসিত: Commelinids
বর্গ: Zingiberales
পরিবার: Costaceae
গণ: Cheilocostus
প্রজাতি: Cheilocostus speciosus C.Specht
পরিচিতিঃ: কেও বহুবর্ষজীবী গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত ছায়াযুক্ত স্থানে ঘন ঝোপ-ঝাড়ের ভেতরে স্যাঁতসেঁতে জায়গায় জন্মায়। গাছ ঝোপালো শিকড় থেকেই অনেক ডালপালা বেরিয়ে ঘন ঝোপ সৃষ্টি করে। কেঁউ ঝোপ - ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে কাণ্ডের রং সবুজ ও শক্ত। কাণ্ডের শীর্ষপ্রান্তে -২টা ডাল বের হয় কাণ্ড -. ইঞ্চি মোটা হয়। কেঁউ গাছের পাতার রং সবুজ। উপবৃক্তাকার, একপক্ষল পাতার বোঁটা ঠিক আর দশটা উদ্ভিদের বোঁটার মত নয়। বরং ফিতার মতো। ফিতাকৃতির বোঁটা কাণ্ডের গায়ে শাড়ির মত পেঁচিয়ে থাকে। পাতা মসৃণ। -১০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। মাঝ বরাবর পাতার প্রস্থ - ইঞ্চি। পাতার সামান্য পুরু, নরম। পাতার নিচের দিকটা পশমের মতো লোমে ঢাকা। কেওয়ের ফুল খুব সুন্দর। তবে যেটাকে ফুল বলছি সেটা ঠিক ফুল নয়, পুষ্ণমঞ্জরি। পুষ্পমঞ্জিরি গুচ্ছ আকারে থাকে এবং এর রং লাল। মঞ্জরিতেও ত্রিকোণাকার পাতলা পাপড়ি আছে। প্রতিটা ত্রিকোণের ভেতর থেকে একটা করে মাইকাকৃতির সাদা ফুল ফোটে। ফুলের তেমন গন্ধ নেই। মৌসুমি ফুল, বর্ষার শেষ দিকে ফুল ফোটে। শ্বেতশুভ্র কেও ফুলের ওপর প্রজাপতি মৌমাছির ওড়াউড়িও চোখে পড়ার মতো। কন্দমূল জাতীয় উদ্ভিদ, তাই মূল থেকেই এর বংশবিস্তার ঘটে।
বিস্তৃতি: সারাদেশেই জন্মায়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল, বিশেষ করে মালয়েশিয়া ইন্দোনেশিয়ায় কেও বেশি দেখা যায়। ভারতে ঔষধি বৃক্ষ হিসেবে এর ব্যাপক ব্যবহার।
ঔষধি গুনাগুণ: জ্বর, র‍্যাশ, এজমা, ব্রংকাইটিসে কাজে লাগে।

আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

৪. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

No comments:

Post a Comment

জনপ্রিয় দশটি লেখা, গত সাত দিনের

Recommended