Sunday, November 30, 2014

পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক স্তন্যপায়ী




পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি, ফটো: Sourav Mahmud

বাংলা নাম: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি
ইংরেজি নাম: Five-striped Palm Squirrel, Northern Indian Palm Squirrel.
বৈজ্ঞানিক নাম: Funambulus pennantii
সমনাম:  

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য Kingdom: Animalia
বিভাগ/ Phylum: Chordata
শ্রেণী/ Class: Mammalia
বর্গ/ Order: Rodenta
পরিবার/Family: Sciuridae,
গণ/ Genus: Funambulus, Lesson, 1835;
প্রজাতি/ Species: Funambulus pennantii (Wroughton, 1905)
ভূমিকা: বাংলাদেশের স্তন্যপায়ীদের মধ্যে পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি দীর্ঘ ও সরু দেহের একটি প্রাণি।
বর্ণনা: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালির দেহের পশম ঘন সন্নিবিষ্ট এবং লেজও ঘন ঝোপযুক্ত। মাথা প্রশস্ত গোলাকার, চোখ বড় এবং কান স্পষ্ট ও ত্রিকোণাকার।  
স্বভাব: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি দিবাচর, বৃক্ষবাসী ও ভূচর স্তন্যপায়ী প্রাণী।
বিস্তৃতি: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক প্রাণিবাংলাদেশ ছাড়া এরা ভারতের উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমবঙ্গ এবং নেপালে বিস্তৃত। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং অস্ট্রেলিয়ায় এর অনুপ্রবেশ লক্ষ্য করা গেছে।
অবস্থা: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশে সুলভ ও বিশ্বে কম শঙ্কাহীন বলে বিবেচিত।
বিবিধ: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি অনুপ্রবেশিত যোগ্য কোনো বৃক্ষ কিংবা দালানে আশ্রয় নেয়। এর প্রাকৃতিক খাদ্যের অপ্রযাপ্ততা রয়েছে।

আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

৩. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

৪. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ

Wednesday, November 26, 2014

কনকচাঁপা বাংলাদেশের আলংকারিক ফুল




কনকচাঁপা
বৈজ্ঞানিক নাম: Ochna squarrosa
বাংলা নাম: কনকচাঁপা, রামধন চাঁপা
ইংরেজি নাম:

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae - Plants
অবিন্যসিত: Angiosperms
অবিন্যসিত: Eudicots
অবিন্যসিত: Rosids
বর্গ: Malpighiales
পরিবার: Ochnaceae
গণ: Ochna
প্রজাতি: Ochna squarrosa
পরিচিতি: কনকচাঁপার আরেক নাম হচ্ছে রামধন চাঁপা। এটি আমাদের দেশীয় ফুল। বসন্তে তামাটে রঙের কচিপাতার সাথে হলুদ সুগন্ধী ফুলের ছোট ছোট থোকায় গাছ ভরে উঠে। পাপড়ি হলুদ, পুংকেশর সোনালী, পরাগধানীর চেয়ে পরাগদণ্ড খাটো। সিলেট ও পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায়।

ব্যবহার: এটি আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

৪. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

Tuesday, November 18, 2014

চিরি নদী বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের আন্তঃসীমান্ত নদী


চিরি নদীর প্রবাহ
চিরি নদী (ইংরেজি: Chree River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। তবে নদীটি বাংলাদেশ ভারত যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত আন্তঃসীমান্ত নদী নয়। নদীটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলা, জয়পুরহাট জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৮ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৫০ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক চিরি নদী প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৪১।

প্রবাহ: চিরি নদীটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাবিরামপুর উপজেলার কাতলা ইউনিয়নের বিলাঞ্চল হতে উৎপত্তি লাভ করেছে। অতঃপর নদীটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট মহকুমার হিলি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে প্রবেশ করেছে এবং বালুরঘাট সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অতিক্রম করে পুনরায় বাংলাদেশের জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার ধলাহার ইউনিয়ন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এই ইউনিয়ন পেরিয়ে নওগাঁ জেলার ধামুইরহাট উপজেলার ধামুইরহাট ও জাহানপুর ইউনিয়ন অতিক্রম করে ইসবপুর ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে ছোট যমুনা নদীতে পতিত হয়েছে। চিরি নদীতে বর্ষাকালে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহিত হয়। এই নদী ভাঙনপ্রবণ নয়। শুষ্ক মৌসুমে নদীটির প্রায় পুরোটাই শুকিয়ে যায়।

অন্যান্য তথ্য: চিরি নদী মৌসুমি প্রকৃতির এবং নদীটি বন্যাপ্রবণ। এই নদীর অববাহিকায় বাংলাদেশ অংশে কোনো প্রকল্প নেই, কোনো ব্যারাজ বা রেগুলেটর এবং কোনো বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ নেই। এই নদীটিতে জোয়ারভাটার প্রভাব নেই। নদীটির ভারতীয় অংশে বাঁধ দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই নদীর তীরে বাংলাদেশে খানসামা হাট ও ভাজানপুর হাট অবস্থিত।[১]

তথ্যসূত্র:  
১. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ১১৪, ISBN 984-70120-0436-4.

আরো পড়ুন:

. বাঙলার নদীগুলো মারা যায় যেসব কারণে

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা

৪. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ



Recommended