Tuesday, November 18, 2014

চিরি নদী বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের আন্তঃসীমান্ত নদী


চিরি নদীর প্রবাহ
চিরি নদী (ইংরেজি: Chree River) বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। তবে নদীটি বাংলাদেশ ভারত যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত আন্তঃসীমান্ত নদী নয়। নদীটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলা, জয়পুরহাট জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একটি নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৮ কিলোমিটার, গড় প্রশস্ততা ৫০ মিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো কর্তৃক চিরি নদী প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৪১।

প্রবাহ: চিরি নদীটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাবিরামপুর উপজেলার কাতলা ইউনিয়নের বিলাঞ্চল হতে উৎপত্তি লাভ করেছে। অতঃপর নদীটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট মহকুমার হিলি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে প্রবেশ করেছে এবং বালুরঘাট সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অতিক্রম করে পুনরায় বাংলাদেশের জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার ধলাহার ইউনিয়ন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এই ইউনিয়ন পেরিয়ে নওগাঁ জেলার ধামুইরহাট উপজেলার ধামুইরহাট ও জাহানপুর ইউনিয়ন অতিক্রম করে ইসবপুর ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে ছোট যমুনা নদীতে পতিত হয়েছে। চিরি নদীতে বর্ষাকালে পর্যাপ্ত পানি প্রবাহিত হয়। এই নদী ভাঙনপ্রবণ নয়। শুষ্ক মৌসুমে নদীটির প্রায় পুরোটাই শুকিয়ে যায়।

অন্যান্য তথ্য: চিরি নদী মৌসুমি প্রকৃতির এবং নদীটি বন্যাপ্রবণ। এই নদীর অববাহিকায় বাংলাদেশ অংশে কোনো প্রকল্প নেই, কোনো ব্যারাজ বা রেগুলেটর এবং কোনো বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ নেই। এই নদীটিতে জোয়ারভাটার প্রভাব নেই। নদীটির ভারতীয় অংশে বাঁধ দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই নদীর তীরে বাংলাদেশে খানসামা হাট ও ভাজানপুর হাট অবস্থিত।[১]

তথ্যসূত্র:  
১. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ১১৪, ISBN 984-70120-0436-4.

আরো পড়ুন:

. বাঙলার নদীগুলো মারা যায় যেসব কারণে

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা

৪. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ



No comments:

Post a Comment

জনপ্রিয় দশটি লেখা, গত সাত দিনের

Recommended