Thursday, February 12, 2015

সুন্দি তরুণাস্থি কাছিম বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক কাছিম




সুন্দি তরুণাস্থি কাছিম, ফটো: কামরুজ্জামান বাবু

বৈজ্ঞানিক নাম: Lissemys punctata;
সমনাম: Testudo punctata, Testudo granulosa, Testudo scabra, Emyda vittata, Trionyx granosus ইত্যাদি
বাংলা নাম: সুন্দি তরুণাস্থি কাছিম বা সুন্দি কাছিম,  
ইংরেজি নাম: Indian flapshell turtle

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
শ্রেণী: Reptilia
বর্গ: Testudines
পরিবার: Trionychidae
গণ: Lissemys Gray, 1855
প্রজাতি: Lissemys punctata (Lacépède, 1788).
ভূমিকা: বাংলাদেশের কচ্ছপের তালিকায় মোট ২৯ প্রজাতির কচ্ছপ, কাইট্টা ও কাছিম আছে। এদের মধ্যে আমাদের আলোচ্য সুন্দি তরুণাস্থি কাছিম বা সুন্দি কাছিম হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সংকটাপন্ন প্রজাতি।
বর্ণনা: সুন্দি কাছিমের দেহ ছোট, দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫-৩৫ সেমি। স্ত্রী কাছিম অপেক্ষাকৃত বড়।
স্বভাব ও আবাসস্থল: সুন্দি কাছিম পুকুর, নদী, নালাতে বাস করে; তবে এরা দেহের অর্ধেক অংশ বালু বা কাদার মধ্যে ঢুকান অবস্থায় বাস করতে পছন্দ করে। এরা লম্বা গ্রিবার মাধ্যমে দ্রুত শিকার ধরতে পারে।
বিস্তৃতি: সুন্দি কাছিম প্রজাতির বিস্তৃতি বাংলাদেশে ব্যাপক। এছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, নেপাল, শ্রীলংকা এবং থাইল্যন্ডে পাওয়া যায়।
অবস্থা: বিশ্বব্যাপী এই প্রজাতির কাছিম সংকটগ্রস্ত নয়। প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে কাজ করা সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় এর নাম নেই। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনানুসারে রক্ষিত বন্যপ্রাণীর তালিকায় তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতি সংরক্ষিত।
বাস্তুতান্ত্রিক ভূমিকা: সুন্দি কাছিম পানিতে অক্সিজেনের সমতা রক্ষার জন্য কম্পন সৃষ্টি করে।
অর্থনৈতিক গুরুত্ব: বাংলাদেশে হিন্দু ও আদিবাসেদের কেউ কেউ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এটিও বাংলাদেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক ও জেলেরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে এটিকেও বিলুপ্তির পথে অচিরেই নিয়ে যাবে।

আরো পড়ুন:
৭. বাংলাদেশের বন্যপ্রাণীর তালিকা

No comments:

Post a Comment

জনপ্রিয় দশটি লেখা, গত সাত দিনের

Recommended