Thursday, March 29, 2012

বাংলাদেশে ২ বছরে সাতটি চিতাবাঘ হত্যা



Photo: The daily Prothom-alo, 29 March '12.

গত দুই বছরে অন্তত সাতটি চিতাবাঘ মেরেছে বাংলাদেশের মানুষ। সবচেয়ে ভয়ংকর খবর প্রকাশ করে আজকের বরিশাল নামের একটি সাইট যারা ২ এপ্রিল, ২০১৪-তে লেখে নলছিটি উপজেলার এক চিংড়ি ঘেরে প্রতি রাতেই চিতাবাঘ হত্যা করা হচ্ছে এবং এযাবত সেখানে দুটি বাঘ মারা পড়েছে। এছাড়া একটি চিতাবাঘকে গত ২৮ মার্চ, ২০১২ তারিখে বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের মানুষ মেরে ফেলে। একটি বাঘ খাদ্যের খোঁজে লোকালয়ে এলে লোকজন চিকার শুরু করে এবং ভীত হয়ে বাঘটিকে আক্রমণ করে। ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার কাজলদিঘি-কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের ডলুয়াপাড়া গ্রামে। মনে করা হচ্ছে বাঘটি ভারতের জংগল থেকে এসেছিলো। এছাড়াও আরো অনেক জায়গায় মাঝেমধ্যেই চিতাবাঘকে লোকজন হত্যা করে যার খবর মাঝেমাঝেই পত্রপত্রিকায় প্রকাশ পায়। যেমন ২০১১ সালে ৪টি চিতাবাঘ হত্যা করে বাংলাদেশের লোকেরা। ১২ জুলাই, ২০১১ তারিখে সিলেটে দুটি চিতাবাঘকে মারে সেখানকার লোকজন। একই বছরের ৮ অক্টোবর লালমনিরহাটে একটি এবং ২০১১ সালের নভেম্বরে মাদারিপুরের কালকিনিতে অপর চিতাবাঘটিকে লোকেরা হত্যা করে। অন্য এক খবরে জানা যায় ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৯ তারিখেও বাংলাদেশের নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা বাহাগিলী বাশুলিয়াপাড়া গ্রামে একটি চিতাবাঘ মারা পড়েছিলো। এটা খুবই দুঃখজনক যে বাংলাদেশের বন বিভাগ এই মহাবিপন্ন প্রাণীটিকে রক্ষার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। এছাড়াও ১৮ মার্চ, ২০১০-এ বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া গ্রামে একটি চিতাবাঘকে টেটাবিদ্ধ করে হত্যা করে গ্রামবাসী।  
ছবির ইতিহাস: ব্যবহৃত ছবিটি প্রথম আলোতে ২৯ মার্চ, ২০১২ তারিখে ছাপা হয়। যদিও খবরটি ইন্টারনেট সংস্করণে প্রকাশিত হয়নিছবিটি নেয়া হয়েছে eprothom-alo থেকে। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর অন্য কোনো পত্রিকাগুলোতে গুরুত্বসহকারে প্রকাশিত হয়নি।
আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

৩. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

৪. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ

Wednesday, March 28, 2012

রক্তজবা ফুল এশিয়ার এক বৈচিত্র্যময় ফুল



রক্তজবা
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগ/রাজ্য: Plantae
(অবিন্যাসিত): Angiosperms
(অবিন্যাসিত): Eudicots
(অবিন্যাসিত): Rosids
বর্গ: Malvales
পরিবার: Malvaceae
গণ: Hibiscus
প্রজাতি: H. rosa-sinensis
বৈজ্ঞানিক নাম: Hibiscus rosa-sinensis.

আমাদের দেশের অনেকেই বাড়ির আঙিনা কিংবা বাসাবাড়ির ছাদের টবে নানা জাতের ফুলগাছ লাগিয়ে থাকেএসব গাছের মধ্যে জবা একটিদেশের সর্বত্রই এই ফুলের চাষ হয়। এই ফুলের বাংলা নামরক্তজবা, জবা, জবা কুসুমঅন্যান্য স্থানীয় নামের মধ্যে China Rose, Chinese hibiscus উল্লেখযোগ্যচিন দেশ এর উত প ত্তিস্থান। গাছ টি ২-৪ মি. উঁচু, কাণ্ড খস খ সে, পাতা মসৃণ ও চকচকে, ফুল ১০-১৫ সে. মি. চওড়া। ফুল এক ক অথবা দ্বৈত। গাছটি কষ্টসহিষ্ণু, অল্প যত্নে জন্মে। শাখা কলম দ্বারা এর বংশ বিস্তার হয়। প্রায় সারা বছরই গাছে ফুল ফোটে। বর্তমানে অনেক ধরনের হাইব্রীড জবার অস্তিত্ব পাওয়া যায় এবং সেগুলোর মধ্যে বর্ণবৈচিত্র প্রচুর। দেখতে সুদৃশ্য হওয়াতে এদেরকে আমরা সাধারণত বাগানে শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ হিসাবে লালন করে থাকি
জবা ফুল দেখতে খুব সুন্দর হলেও এর ঔষধি গুণ কিন্তু কম নয় চোখ উঠলে, মাথায় টাক পড়লে কিংবা হাতের তালু থেকে চামড়া ওঠা শুরু হলে জবা ফুল বেটে রস লাগালে দ্রুত নিরাময় হয়ডায়াবেটিসের রোগী নন, অথচ প্রচুর পরিমাণে পানি পান করার পরপরই ঘন ঘন যাদের মূত্র ত্যাগ করতে হয়, তারা জবা গাছের ছালের রস পানিসহ নিয়মিত কয়েকদিন এক চা চামচ পরিমাণ করে খেলে উপকার পাবেন
উল্লেখ্য ঝুমকো জবা, লংকা জবাসহ জবার আরো বেশ কিছু প্রজাতি বাংলাদেশে যথেষ্ট জনপ্রিয়।


ঔষধি গুরুত্ব: জবা ফুলে নানা ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে। অনিয়মিত মাসিক, চোখ উঠা, মাথায় টাক , হাতের তালুতে চামড়া উঠা ইত্যাদি রোগে ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে।

ব্যবহার:

১. বমি করতে চাইলে: হঠাৎ কোন কুখাদ্য খাওয়া হয়ে গেলে, যেটা খেতে অভ্যস্থ নয়, যাকে বলা হয় অসাত্ম্য দ্রব্য, যেমন অজান্তে মাছি, চুল অথবা এই ধরনের কোন জিনিস পেটে গিয়েছে, এর পরিণতিতে বমির উদ্রেহয়, অথচ বমি হচ্ছে না; এক্ষেত্রে ৪/৫ টি জবা ফুল নিয়ে বোঁটার সঙ্গে যে সবুজ ক্যালিস্ক অংশ থাকে, এই অংশটাকে বাদ দিয়ে ফুল অংশটাকে পানি ও চিনি পরিমাণমত দিয়ে চটকে সরবত করে দিনে ২/১ বার খেলে বমি হয়ে পেট থেকে ওগুলি সব বেরিয়ে যাবে।

২. ঘন ঘন প্রস্রাব: যারা প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে আবার ঘন ঘন প্রস্রাব করে অথচ ডায়াবেটিস রোগী নয়, এই ক্ষেত্রে জবা গাছের ছালের রস এক কাপ পানির সাথে পরিমাণমত চিনিসহ মিশিয়ে ৭/৮ দিন খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৩. টাক পড়া রোগ: চুল স্বাভাবিক আছে অথচ ফাঙ্গাসে কিছু জায়গা চুল উঠে টাক হয়ে গেছে এ অবস্থায় জবাফুল বেটে ওখানে লাগালে কিছু দিনের মধ্যে চুল উঠে যাবে। এক /দুইটা ফুল বেটে ৭/৮ দিন যে কোনো সময় লাগাতে হবে এবং দুই/এক ঘণ্টা রাখতে হবে অথবা যতক্ষণ সম্ভব রাখতে হবে।

৪. হাতের তালুতে চামড়া উঠা: শীত কালে হাতের তালুতে চামড়া উঠে খসখসে হয়ে গেলে জবা ফুল তালুতে মাখলে খুব উপকার পাওয়া যায়। দিনে দুই তিন বার এক /দুইটা ফুল হাতের মধ্যেই ডলে ডলে লাগাতে হবে। লাগিয়ে স্বাভাবিক কাজ কর্ম করা যাবে। যতক্ষণ সম্ভব রাখতে হবে।

 

বি. দ্র. যে কোনো উদ্ভিদজাত ওষুধ নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন।




আরো পড়ুন:
৪. বাংলাদেশের পাখির তালিকা

Tuesday, March 27, 2012

বকুল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর তীরবর্তী এলাকার গাছ


বকুলের পাতা ও ফুল

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস
জগ/রাজ্য: Plantae
বিভাগ: Magnoliophyta
শ্রেণী: Magnoliopsida
বর্গ: Ericales
পরিবার: Sapotaceae
গণ: Mimusops
প্রজাতি: M. elengi L.

বৈজ্ঞানিক নামঃ Mimusops elengi L.

বাংলা ভাষায় - বকুল, বহুল, বুকাল, বাকুল, বাকালতবে বকুল নামেই বেশি পরিচিত
ইংরেজি নাম- Spanish cherry, Indian Medlar, and Bullet wood.
বকুলের আদি আবাস ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আন্দামান ও বার্মা। তবে বর্তমানে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর তীরবর্তী এলাকার ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, বার্মা, ইন্দো-চীন, থাইল্যান্ড, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ এলাকা জুড়ে এই গাছ দেখতে পাওয়া যায়এছাড়া, মালয়েশিয়া, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, নিউ ক্যালিডোনিয়া (ফ্রান্স), ভানুয়াতু, এবং উত্তর অস্ট্রেলিয়াতে এই গাছ চাষ করা হয়
বাংলায় বকুল ফুলের জন্যে পরিচিত এই গাছবকুলের অন্যান্য ব্যবহার বাংলায় তেমন নেইএটি একটি অতি পরিচিত ফুলবাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় এ গাছ পাওয়া যায়বাগানে ছায়া পাওয়ার জন্য সাধারণত বকুল গাছ লাগানো হয়ে থাকে এটি মাঝারি আকারের গাছ এবং এর পাতাগুলি হয় ঢেউ খেলানোফুলগুলো খুব ছোট হয়বড় জোর ১ সেঃ মিঃফুলগুলো দেখতে ছোট ছোট তারার মতো হলুদাভ সাদা বা ক্রীম রঙেরএই ফুল রাত্রে ফোটে এবং সারাদিন ধরে টুপটাপ ঝরতে থাকে ফুলগুলো যখন ফোটে তখন গাছের চেহারা হয় অন্যরকমএবং মাটিতে যখন ঝরে পরে তার দৃশ্য নয়নাভিরামভারি সুগন্ধী এই বকুল ফুলশুকনো বকুল ফুলের সুগন্ধটা অনেকদিন থাকে তাই এই ফুলের মালা অনেকদিন ঘরে রেখে দেয়া যায়ফুলে থাকে উদ্বায়ী তেল
বকুল একটি চিরহরি মধ্যম_বিরাট বৃক্ষএটি ১৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়এর কচি কাণ্ড, বৃন্ত এবং বৃতিপৃষ্ঠ বিবর্ণ-রোমশ। এই বৃক্ষের পাতাগুলো ঘন-বিক্ষিপ্ত, মসৃণ, উজ্জ্বল-সবুজ, ডিম্বাকৃতি, হ্রস্ববৃন্তক, ঢেউ খেলানো, শীর্ষ ঈষত বর্ধিত, সুক্ষ্ম। পাতা আকারে ৫ থেকে ১৪ সেন্টিমিটার লম্বা এবং আড়াই থেকে ৬ সেন্টিমিটার চওড়া হয় এই গাছের ফল ডিম্বাকৃতি, প্রায় ১ ইঞ্চি দীর্ঘ, পাকা অবস্থায় হলুদ বর্ণের, একবীজীয়। এই ফল দরিদ্রের খাদ্য, তৈল জ্বালানি ও ছবি আঁকার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাকা ফল কোকিল পাপিয়া ও আরো বেশ কিছু পাখির খাদ্য। হাজার হাজার মাইল পথ পেরিয়ে বসন্তকালে এদেশে আসে যেসব পরিযায়ী কোকিল ও পাপিয়ারা, তাদের খাবার যোগান দেয় এই বকুল গাছ। মাঝারি আকারের এই গাছ দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনাঞ্চলে জন্মে বকুল ফুল, ফল, পাকা ফল, পাতা, গাছের ছাল, কাণ্ড, কাঠ সব কিছুই কাজে লাগেবিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে এর ব্যবহার রয়েছে
আয়ুর্বেদিক ব্যবহারঃ বকুল ফুল, ফল, পাতা, কাণ্ড দিয়ে বিভিন্ন অসুখ নিরাময়ের নানারকম আয়ুর্বেদিক ব্যবহার রয়েছে
ফুল-ফুলের রস হৃদযন্ত্রের অসুখ, leucorrhoea, menorrhagia নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়
শুকনা ফুলের গুড়া দিয়ে তৈরি ঔষধ "আহওয়া" নামক এক ধরনের কঠিন জ্বর, মাথা ব্যাথা এবং ঘাড়, কাঁধ ও শরীরের বিভিন্ন অংশে সৃষ্ট ব্যাথার নিরাময়ে ব্যবহার হয়
শুকনা ফুলের গুড়া মাথা ঠান্ডা রাখে ও মেধা বাড়াতে উপকারী
শুকনো বকুল ফুলের গুড়া নাক দিয়ে নিঃশ্বাসের সাথে টেনে নিলে মাথা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে
বকুল গাছের ছাল দিয়ে কাটা-ছেঁড়ার ক্ষত পরিষ্কার করা যায় এছাড়াও বকুল গাছের ছাল ও তেঁতুল গাছের ছাল সিদ্ধ করে পাচনের মাধ্যমে তৈরি তরল ঔষধ ত্বকের নানারকম রোগ সারাতে ব্যবহৃত হয়
বকুলের কাণ্ড থেকে পাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক ধরনের ঔষধ তৈরি করা হয় যা দাঁতের সমস্যা নিরাময়ে অনেক উপকারীএই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় ফিলিপাইনে এছাড়াও এই ঔষধ জ্বর ও ডায়রিয়া থেকে আরোগ্য লাভের জন্যে ব্যবহার করে ফিলিপাইনের অধিবাসীরাস্থানিয় লোকেরা এই তরল পানি দিয়ে গার্গল করে গলার অসুখের নিরাময়ের জন্যেমুখ ধোয়ার তরল প্রতিষেধক হিসেবেও কাজ করে এই তরল ঔষধ যা মাড়ি শক্ত করে
বকুলের পাতা সিদ্ধ করে মাথায় দিলে মাথা ব্যাথা কমে যায়পাতার রস চোখের জন্যেও উপকারী
অন্যান্য ব্যবহার:
ফুল - ভারতে এই ফুল দিয়ে তৈরি তরল, সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহারে প্রচলন রয়েছে ফুল দিয়ে মালা গাথার প্রচলন অনেক পুরনো দিন থেকে চলে আসছেবিভিন্ন  দেশের বিভিন্ন এলাকার নারীরা এই ফুলের মালা চুলে পরে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্যে
ফল - পাকা ফল খাওয়া যায়মালয়'রা বকুল ফল সংরক্ষণ করে রাখে এবং আচার তৈরি করে
কান্ড - অনেক এলাকায় বকুল গাছের কাণ্ড বা নরম ডাল দাঁত মাজার জন্যে ব্যবহার করা হয়
কাঠ - বকুল কাঠ অনেক দামি আর দুষ্প্রাপ্য কাঠএর কাঠ অনেক শক্ত, কঠিন হয় কিন্তু খুব সহজে কাটা যায় আর খুব সুন্দর পালিশ করা যায় এই কাঠের রঙ গাঢ় লালএই কাঠ ঘর-বাড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা যায়
Mimusops গ্রিক শব্দ, অর্থ বনমানুষের মুখ। সম্ভবত ফুলের আকৃতির জন্যই এমন নামকরণ। elengi হলো বকুলের মালাবারীয় নাম।

সাহিত্যে বকুলঃ 
বাংলা সাহিত্যে বকুলের কথা নানাভাবে এসেছে। কাজী ন জ রুল ইস লাম লিখেছেন, 'বেল ফুল এনে দাও চাই না বকুল', হুমায়ুন আজাদ লিখেছেন, ''ভাল থেক ফুল মিষ্টি বকুল', ময়মনসিংহ গীতিকায় আছে 'গাঁথ গাঁথ সুন্দর কন্যা লো মালতীর মালা/ ঝইরা পড়ছে সোনার বকুল গো ঐ না গাছের তলা।'

Recommended