Wednesday, March 14, 2012

এশীয় শাবুলবুলি বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি।



Male, Photo: Kiron Khan, Bangladesh.

বৈজ্ঞানিক নাম/Scientific Name: Terpsiphone paradisi (Linnaeus, 1758)
সমনামঃ Corvus paradisi, Linnaeus, 1758 
বাংলা নামঃ এশীয় শাবুলবুলি,
ইংরেজি নাম/Common Name: Asian Paradise Flycatcher.

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগ/রাজ্যঃ Animalia
বিভাগঃ Chordata
শ্রেণীঃ Aves
পরিবার/Family: Corvidae
গণ/Genus:Terpsiphone, Gloger, 1827
প্রজাতি/Species: Leptoptilos dubius (Gmelin, 1789)
বর্ণনাঃ এশীয় শাবুলবুলি, Asian Paradise Flycatcher, অতি লম্বা লেজ ও ঝুঁটিঅলা পোকাশিকারী পাখি। দৈর্ঘ ২০ সে.মি., ওজন ২০ গ্রাম, ডানা ৯ সে.মি., ঠোঁট ২.৫ সে.মি., পা ১.৭ সে.মি., লেজ ১০ সেমি, ছেলেপাখির লেজের ফিতা ৩৫ সেমি। ছবির পাখিটির ইংরেজি নামের হুবুহু বাংলা করলে দাঁড়ায় মাছিধরা স্বর্গের পাখি। মাথায় অপূর্ব কালো ক্রেস্ট উঁচিয়ে থাকা পাখিটি এমনিতেই অসাধারণ সুন্দর, সাথে আবার দীঘল লেজের মাঝে যে রূপ ঠিকরে বেরোচ্ছে তাতে আপ্লুত হবে না কোন মানব মানবী ? কিন্তু পুরুষ প্রজাতির সেই অপূরূপ  লেজখানার দৈর্ঘ্য কখনও তার সেই নিজের দৈর্ঘের থেকেও দ্বিগুন হয়ে থাকে। লেজের শেষপ্রান্ত আবার হয় খন্ডিত। যেনো নদীর মতো রূপের দুধারা বয়ে গেলো। যাহোক স্বর্গীয় সৌন্দর্যের মূল চাবিকাঠি তো মনে হয় এই লেজই।
স্বভাবঃ এশীয় শাবুলবুলি সাধারণত নদীর ধারের ছায়াময় গাছ, বন, কুঞ্জবন, ও বাগানে বিচরণ করে। মার্চ-এপ্রিল মাসে প্রজননকালে ডিম পাড়ে। ডিমগুলো বেগুনিমাপ ২.×. সেমি। ডিম ফোটে ১৫-১৬ দিনে।
বিস্তৃতিঃ এশীয় শাবুলবুলি বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি।
অবস্থাঃ এশীয় শাবুলবুলি বাংলাদেশে ও বিশ্বে বিপদমুক্ত পাখি হিসেবে বিবেচিত।
বিবিধঃ Terpsiphone এই গণে পৃথিবীতে  ১২ প্রাজাতির পাখি রয়েছে। বাংলাদেশে রয়েছে তার ১টি প্রাজাতি।

আরো পড়ুন:

Sunday, March 11, 2012

ধুতরা বাংলাদেশ ও ভারতের ঔষধি উদ্ভিদ




ধুতরা, আলোকচিত্র: Xavierserratm
ধুতরা, ধুতুরা, কনক ধুতরা, কালো ধুতরা,
বৈজ্ঞানিক নাম: Dutura metel L.
সমনাম: Alba Globinmed
সাধারণ নাম: devil's trumpet and metel
বাংলা নাম: ধুতরা, ধুতুরা,
অন্যান্য নাম:
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
বিভাগ: Angiosperms
অবিন্যাসিত: Eudicots
অবিন্যাসিত: Asterids
বর্গ: Solanales
পরিবার: Solanaceae
গণ: Datura
প্রজাতি: Dutura metel L.
পরিচিতি: ধুতরা বাংলাদেশ ও ভারতের প্রজাতি। Solanaceae পরিবারের ধুতরার বৈজ্ঞানিক নাম হলো Datura metel. সর্বজন পরিচিত এই ধুতুরা অযত্নে বেড়ে ওঠা এক ধরণের গুল্ম; বাংলাদেশ, ভারতে প্রায় সকল স্থানেই দেখা যায়। এক একটা গাছ ৪ থেকে ৫ বছরও বেঁচে থাকে।[১]

আরো বিস্তারিত বিবরণ পড়ুন এই লিংক থেকে। 

বিবরণ: এক থেকে দেড় মিটার উঁচু ধুতরার গাছের ডালপালা নরম এবং গাছ সাদা ও বেগুনি রঙের। পাতা বড়, ১৫-১৮ সে.মি. লম্বা, কিনারে লতি। পাতার কক্ষে একেকটি ফুল, ১২-১৫ সে.মি. লম্বা, বাইরে বেগুনি, ভিতর সাদা কিংবা সম্পূর্ন সাদা, সুগন্ধি। ফল গো্ল,‌ কাঁটাভরা, বিদারী। অসংখ্য বাদামি বীজ। বীজে চাষ। ধুতরার বীজ বিষাক্ত এবং ভেষজগুণে অনন্য 

ধুতরার ভেষজ ব্যবহার পড়ুন এই লিংক থেকে। 

সতর্কীকরণঃ যে কোনো ভেষজ ঔষধ নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন। 



তথ্যসূত্র:

১ আয়ূর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্রচার্য, চিরঞ্জীব বনৌষধি' খন্ড ১, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৩৮৩, পৃষ্ঠা, ২৮০-২৮৫।
 

আরো পড়ুন:

১. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ

২. বাংলাদেশের ঔষধি গাছের একটি বিস্তারিত পাঠ

৪. বাংলাদেশের পাখির তালিকা

জনপ্রিয় দশটি লেখা, গত সাত দিনের