Thursday, July 31, 2014

পাতি চড়ুই বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি



পাতি চড়ুই, ছেলে, ফটো: ইংরেজি উইকিপিডিয়া থেকে
দ্বিপদ নাম/Scientific Name: Passer domesticus
সমনাম: নেই
বাংলা নাম: পাতি চড়ুই,

ইংরেজি নাম/Common Name: House Sparrow.


জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্যKingdom: Animalia
বিভাগ/Phylum: Chordata
শ্রেণী/Class: Aves
পরিবার/Family: Passeridae
গণ/Genus: Passer, Brison, 1760;
প্রজাতি/Species: Passer domesticus (Linnaeus, 1758)
ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকাPasser গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতেও রয়েছে ২৩টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি দুটি হচ্ছে ১. পাতি চড়ুই ও ২. ইউরেশীয় গাছচড়ুই। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে পাতি চড়ুই
বর্ণনাঃ পাতি চড়ুই মোটা ঠোঁটধারী বাদামি গায়ক পাখি। সাধারণত দৈর্ঘ্যে মাত্র ১সেমি (৬.৩ ইঞ্চি) ও ওজনে ২৪ গ্রাম, ডানা ৭.৫ সেমি, ঠোঁট ১.৪ সেমি, পা ২ সেমি ও লেজ ৫.৪ সেমি হয়। মেয়ে ও ছেলেপাখির চেহারায় পার্থক্য আছে।
স্বভাব: পাতি চড়ুই জনবসতির মধ্যে থাকতে ভালোবাসে তাই এদের ইংরাজি নাম House Sparrow অর্থাৎ "গৃহস্থালির চড়াই"। খড়কুটো, শুকনো ঘাস পাতা দিয়ে কড়িকাঠে, কার্নিশে বাসা বাঁধে। সমস্ত দিন এরা লাফিয়ে বেড়িয়ে মাটি থেকে পোকামাকড় শস্য খুঁটে খায়।
বিস্তৃতি: পাতি চড়ুই বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি। সব বিভাগের লোকালয়ে পাওয়া যায়। ইউরোপ ও এশিয়া থেকে ছড়িয়ে পড়ে এখন এন্টার্কটিকা ছাড়া পৃথিবীর সব মহাদেশে এর বৈশ্বিক বিস্তৃতি রয়েছে। পৃথিবীতে বন্য পাখিদের মধ্যে পাতি চড়ুইই সবচেয়ে বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
অবস্থা: ২০০৯ সালে এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষে এটিকে বাংলাদেশে ও বিশ্বে বিপদমুক্ত বলে বর্ণনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের ১৯৭৪ সালের বন্যপ্রাণী আইনে একে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়নি।

আরো পড়ুন:

Monday, July 28, 2014

উলটকম্বল বাংলাদেশ ভারতের ঔষধি উদ্ভিদ



উলটকম্বল
বাংলা নাম: লটকম্বল বা উল্টোকমল
বৈজ্ঞানিক নাম: Abroma augusta
ইংরেজি নাম: Devil's cotton.
আদিবাসি নাম:

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae - Plants
বর্গ: Malvales
পরিবার: Malvaceae
গণ: Abroma L.
প্রজাতি: Abroma augusta L.
পরিচিতি: এটি অস্বাভাবিক দেখতে এক ধরনের গাছ। পাতা, ছাল, কাণ্ড, মূল, ঋতুস্রাব, গনরিয়া, ডায়াবেটিস, ত্বকের সংক্রমণে এবং ফোঁড়ায় ব্যবহৃত হয় এটা ভেষজ গাছ এই গাছের পাতা, বৃন্ত বা ছোট শাখা জলে সরারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে জেলির মতো নির্যাস অনেকেই খায়। কোস্ট কাঠিন্যের মতো রোগে কাজ করে। এই ঘন নির্যাস মাথায় দিলে মাথা ঠান্ডা থাকে। নারীদের যোনিপথের সংক্রমণে কাজে লাগে।
বিস্তৃতি: এটি মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের উষ্ণঅঞ্চলের উদ্ভিদ।

আরো পড়ুন:
৪. বাংলাদেশের পাখির তালিকা

জনপ্রিয় দশটি লেখা, গত সাত দিনের