Wednesday, October 07, 2015

সজনে একটি বহুল পরিচিত উপকারি বৃক্ষ




সজনা বা সজনে ও পাতা
বৈজ্ঞানিক নাম: Moringa oleifera
সাধারণ নাম: drumstick tree বা horseradish tree বা ben oil tree বা benzoil tree
বাংলা নাম: সজনে বা সজনা বা সাজিনা

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae
বিভাগ: Angiosperms
অবিন্যাসিত: Eudicots
অবিন্যাসিত: Rosids
বর্গ: Brassicales
গোত্র: Moringaceae
গণ: Moringa
প্রজাতি: Moringa oleifera
বর্ণনা: সজনে বা সজনা বা সাজিনা (ইংরেজি: drumstick tree বা horseradish tree বা ben oil tree বা benzoil tree) (বৈজ্ঞানিক নাম: Moringa oleifera) হচ্ছে বৃক্ষ জাতীয় গাছ। সজনা আমাদের দেশে একটি বহুল পরিচিত বৃক্ষ, যার কাঁচা লম্বা ফল সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। সাধারণত এ গাছের উচ্চতা ৭.৬০ থেকে ১০.৬০ মিটার বা তারও বেশি হয়ে থাকে। সজনা গাছের কাঠ অত্যন্ত নরম, বাকলা আঠাযুক্ত ও কর্কি। এর পাতা ৩০.৪৮ থেকে ৬০.৯০ সেমি লম্বা, ত্রিপক্ষল যৌগিক, উপপত্রহীন, একান্তর, পত্রক ৪-৭ জোড়া, ত্রিমুখী। মঞ্জুরি কাক্ষিক রেসিম। পুষ্প সাদা এক প্রতিসম এবং উভলিঙ্গ। এর ফল ৩১ থেকে ৩৮ সেমি লম্বা, দোলনরত, ক্যাপসিউল বীজ পক্ষল। সজিনা তিন প্রকারের হয়ে থাকে; নীল, শ্বেত ও রক্ত সজিনা।
ব্যবহার্য অংশ: মূল, ছাল, পাতা, ফুল ও ফল, বীজ এবং কষ।
ব্যবহার: এটির শাক হিসেবে ব্যবহৃত পাতা ভিটামিন এ-এর এক বিশাল উৎস। সজনের পাতা এবং ফল উভয়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণে পুষ্টি আছে। এতসব পুষ্টিগুণ একসাথে আছে বলেই এর মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং জীবন ধারনের পুষ্টি দুটোই পাওয়া যায়। আফ্রিকায় সজনে সাফল্যের পেছনে এটাই মূল কারণ। দুয়েকটি নির্দিষ্ট ভিটামিন বা মিনারেল নয়; বরং বহু ধরনের ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাটের সমাহার এই সজনে।
সজিনা পাতা শাকের মতো রান্না করে আহারের সময় অল্প পরিমাণে খেলে বল বৃদ্ধি পায় ও ক্ষুধা বাড়ে। পাতা কেটে ফোঁড়া বা টিউমারে দিলে উপকার পাওয়া যায়। উত্তরবঙ্গে সজিনা পাতাকে শাক হিসেবে খাওয়া হয়। এতে তাদের শ্রমজনিত ক্লান্তি, শরীরের ব্যথা ইত্যাদি দূর হয়।
সজিনা ফুল শাকের মতো রান্না করে বসন্তকালে খেলে বসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ হয়। এছাড়া সর্দি, কাশিতে, শোথে, প্লীহা ও যকৃতের কার্যকারিতা কমে গেলে এবং কৃমিনাশক হিসেবে সজিনা ব্যবহার করা যায়।
বিজ্ঞানীদের মতে, সজিনা ডাঁটা অ্যামাইনো এসিড সমৃদ্ধ, যা দেহের পাশাপাশি বাতের জন্যও খুব উপকারী। সজিনা বীজের তেল আমাদের দেশে তেমন পাওয়া যায় না। একে 'বেন অয়েল' বলে। এটি ঘড়ি মেরামতের কাজে লাগে। বাতের ব্যথায় তা ভালো কাজ দেয়। কুষ্ঠ রোগে বীজের তেল অথবা বীজের তেলের অভাবে বীজ বেটে প্রলেপ দিলে উপকার হয়। সজিনা মূল ও বীজ সাপে কামড়ানোর চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া মূলের ছালের প্রলেপে দাদ উপশম হয়। বাংলাদেশে এ নিয়ে তেমন গবেষণা না হলেও বিশ্বের বহু দেশে নানা রকমের গবেষণা হয়েছে; বিশেষ করে এ গাছ হরমোন বর্ধক ঔষধি গুণসম্পন্ন, কাগজ তৈরি ইত্যাদি বিষয় ছাড়াও প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এটি সবজির পাশাপাশি ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। দেশের সর্বত্রই সাজনা পাওয়া যায়। বিশেষ করে গ্রামের রাস্তার ধারে এবং বসতবাড়ির আঙিনায় যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠে এ বৃক্ষটি। সাজনার ফুল ও পাতা শুধু শাক হিসেবেই নয়, পশু খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার হয়। এর পাতা শাক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে শারীরিক শক্তি ও আহারের রুচিবর্ধক হয়। এর মধ্যে আছে ভিটামিন এ, বি, সি, নিকোটিনিক এসিড, প্রোটিন ও চর্বি জাতীয় পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট ইত্যাদি। ভারতীয়রা এটির স্যুপ খেয়ে থাকে। এ সময় ঋতু পরিবর্তনের কারণে আমাদের অনেকেরই মুখে স্বাদ থাকে না। আর এ স্বাদকে ফিরিয়ে আনতে সাজনার জুড়ি নেই। সজিনা গাছটির প্রতি আমাদের তেমন আগ্রহ না থাকলেও এর ডাঁটা সব মানুষই পছন্দ করে। আমরা জানি, সবজি মাত্রই পুষ্টিকর খাদ্য। তবে সাজনা শুধু পুষ্টিকর সবজি নয় এটি ওষুধি বৃক্ষও বটে।
সাজনার ফুল বসন্তকালে খাওয়া ভালো কারণ এটি বসন্ত প্রতিষেধক। এটি সর্দি কাশিতে, যকৃতের কার্যকারিতায়, কৃমি প্রতিরোধে, শক্তি বৃদ্ধিতে ফলদায়ক। এর ডাঁটা বা ফলে প্রচুর এমাইনো এসিড আছে। এটি বাত রোগীদের জন্য ভালো। সাজনার বীজ থেকে তেলও পাওয়া যায়, যা বাতের ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে এবং ঘড়ি ঠিক করার জন্য যে বেল ওয়েল ব্যবহার হয় তা এর বীজ হতে পাওয়া যায়।
সজিনার পাতা বেটে ফোঁড়া বা টিউমারে লাগালে বহু ক্ষেত্রে মিলিয়ে যায় এবং ফোলা ও ব্যথার উপশম হয়। স্বাদে ও গুণে ভরপুর সজিনা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন করা লাভজনক। কারণ অন্যান্য সবজির মতো এর উৎপাদনে তেমন ঝুঁকি নেই এবং লাভজনক।
বিস্তার ও চাষাবাদ: সজিনা বাংলাদেশের সর্বত্র, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে সবজি গাছ হিসেবে লাগানো হয়। এর পাতা অগ্রহায়ণ-মাঘ মাসে হলুদ হয়ে ঝরে পড়ে এবং মাঘ-ফাল্গুনে থোকা থোকা সাদা ফুল প্রায় পত্রশূন্য গাছ ছেয়ে থাকে। চৈত্র-আষাঢ় মাসের মধ্যে ফল পাকে। ফলের মধ্যে ত্রিকোনাকার অনেক বীজ হয়। বীজ অথবা কাটা ডাল (কাটিং) দিয়ে বংশবিস্তার সম্ভব। কাটিং মাটি ও গোবর (৩:১) মিশ্রিত কাটিং তলায় অথবা পলিথিন ব্যাগে একটু কাত করে লাগাতে হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি দিতে হয়। শেকড় গজালে শেকড়সহ কাটিং পলিথিন ব্যাগে অথবা সরাসরি মাঠে লাগানো যায়।
সাজনা চরম পরিবেশগত অবস্থা সহ্য করতে সক্ষম। তবে ২০ হতে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ভালো জন্মায় এবং যেসব এলাকায় ২৫০ থেকে ১৫০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় সেখানে ভালো জন্মায়। মাটি বেলে দোঁআশ থেকে দোঁয়াশ এবং পিএইচ ৫.০ থেকে ৯.০ সম্পন্ন মাটি সহ্য করতে পারে। সজিনা চাষে সারের তেমন প্রয়োজন হয় না। কারণ সজনার বিস্তৃত ও গভীর শিকড় রয়েছে। তবে ইউরিয়া এবং জৈব সার প্রয়োগ করলে গাছ ভালো হয়। এ বৃক্ষটি বীজ ও ডালের মাধ্যমে বংশবিস্তার করা সম্ভব। তবে আমাদের দেশে বীজ থেকে চারা তৈরি করে চাষাবাদের রীতি এখনো অনুসরণ করা হয় না। কারণ বীজ থেকে চারা তৈরি ব্যয়বহুল। বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তারের ক্ষেত্রে এপ্রিল-মে মাসে গাছ থেকে পাকা ফল সংগ্রহ করতে হবে, তারপর সেটিকে শুকিয়ে ফাটলে বীজ পাওয়া যাবে। এ বীজ শুকনো বায়ুরোধী পাত্রে ১-৬ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখতে পারি। তার পর জুলাই-আগস্টে বীজতলায় অথবা পলি ব্যাগে বপন করতে পারি। বীজ বপনের আগে বীজগুলোকে ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে বীজ থেকে চারা গজাতে সুবিধা হয়। বীজ থেকে চারা বের হতে সময় লাগে ১০ থেকে ২০ দিন। চারা বের হওয়ার পর নিয়মিত সেচ, সার প্রয়োগ ও অন্যান্য যত্ন পরিচর্যা করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো যে, বীজ থেকে সজিনা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ডাল পুঁতে অঙ্গজ বংশবিস্তারের চেয়ে দেরিতে ফল আসে। আমাদের দেশে ডাল পুঁতে অঙ্গজ উপায়ে বংশ বিস্তার পদ্ধতিটি বেশি ব্যবহৃত হয়। তার কারণ হলো, এটি করতে তেমন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। আর খরচও কম, অঙ্গজ বংশবিস্তারের জন্য ৪-৫ ব্যাসের বা বেডের ৫-৬ হাত লম্বা নিরোগ ডাল এবং আঘাতমুক্ত ডাল ব্যবহার করা ভালো। নতুন লাগানো গাছে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে শীঘ্রই শিকড় গজাতে পারে। শুষ্ক ও গ্রীষ্ম মৌসুমে প্রায় দুই মাস সেচ দিতে হবে। তবে সাজনার গাছ একবার লেগে গেলে তেমন পানির প্রয়োজন হয় না। সজিনার গাছে তুলনামূলক কীট-পতঙ্গ ও রোগ সহনশীলভাবে মাঝে মাঝে প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। যেমন জলাবদ্ধ মাটিতে শিকড় পচা রোগ দেখা দিতে পারে এর কারণ ডিপ্লোডিয়া। কীট-পতঙ্গ শুষ্ক ও ঠাণ্ডায় বেশি আক্রমণ করে। কীট-পতঙ্গ দ্বারা গাছে হলুদ রোগ দেখা যায়। কীট-পতঙ্গের মধ্যে টারমাইটস, এফিড, সাদা মাছি প্রধান। 

আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা

৪. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

Thursday, August 20, 2015

ব্রহ্মপুত্র এশিয়া মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত নদী




ধুবড়ী জেলার যোগমায়া ঘাট থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ
ব্রহ্মপুত্র নদ বা ব্রহ্মপুত্র নদী এশিয়া মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত নদী। সংস্কৃত ভাষায় ব্রহ্মপুত্রের অর্থ হচ্ছে ব্রহ্মার পুত্র। ব্রহ্মপুত্রের পূর্ব নাম ছিল লৌহিত্য। আবার তিব্বতে তা জাঙপো নামে পরিচিত, এবং আসামে তার নাম দিহাঙ
ব্রহ্মপুত্রের উৎপত্তি হিমালয় পর্বতমালার কৈলাস শৃঙ্গের নিকট জিমা ইয়ংজং হিমবাহে, যা তিব্বতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। জাঙপো নামে তিব্বতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে এটি অরুণাচল প্রদেশে ভারতে প্রবেশ করে যখন এর নাম হয়ে যায় সিয়ং। তারপর আসামের উপর দিয়ে দিহাঙ নামে বয়ে যাবার সময় এতে দিবং এবং লোহিত নামে আরো দুটি বড় নদী যোগ দেয় এবং তখন সমতলে এসে চওড়া হয়ে এর নাম হয় ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পড়েছে।
১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদের স্রোত দিক পরিবর্তিত হয়ে যমুনা নদী হয়। উৎপত্তিস্থল থেকে এর দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিলোমিটার ব্রহ্মপুত্র নদের সর্বাধিক প্রস্থ ১০৪২৬ মিটার (বাহাদুরাবাদ)। এটিই বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে। ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা হচ্ছে যমুনাএক কালের প্রশস্ত ব্রহ্মপুত্র নদ বর্তমানে শীর্ণকায়।

আরো পড়ুন:

. বাঙলার নদীগুলো মারা যায় যেসব কারণে

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা

৪. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ


Tuesday, June 09, 2015

বাংলাদেশের নদনদীর তালিকা


ছাতকে পিয়াইন নদী


দক্ষিণ এশিয়ায় অন্তর্গত বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ৮০০ নদ-নদী বিপুল জলরাশি নিয়ে ২৪,১৪০ কিলোমিটার জায়গা দখল করে দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলই শত শত নদীর মাধ্যমে বয়ে আসা পলি মাটি জমে তৈরি হয়েছে নদীমাতৃক বাংলাদেশে অসংখ্য নদনদীর মধ্যে অনেকগুলো আকার এবং গুরুত্বে বিশাল এসব নদীকে বড় নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়বৃহৎ নদী হিসেবে কয়েকটিকে উল্লেখ করা যায় এমন নদীসমূহ হচ্ছে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, কর্ণফুলি, শীতলক্ষ্যা, গোমতী গোমতী ইত্যাদি এছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো হচ্ছে আড়িয়াল খাঁ, বংশী বেতনা, খোলপেটুয়া ভদ্রা, ভৈরব, কংস,  ব্রহ্মপুত্র, বুড়িগঙ্গা, চিত্রা, ডাকাতিয়া, ধনু, বাউলাই, ঘোড়াউত্রা, দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী, করতোয়া, গড়াই, মধুমতি, বলেশ্বর, ঘাঘট, আত্রাই, গুড়, গুমানি, হুরাসাগর,  কর্ণফুলী, কুমার,  কুশিয়ারা, ফেনী, ডাকাতিয়া, কীর্তনখোলা, মাতামুহুরী, মাথাভাঙ্গা, নবগঙ্গা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, পুনর্ভবা, রূপসা, পশুর, সাঙ্গু, সুরমা, তিস্তা, হালদা ইত্যাদি।

বাংলাদেশ-ভারত-মায়ানমারের আন্তঃসীমান্ত নদী: আন্তঃসীমান্ত নদী হল এমন ধরণের নদী যা অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমান্ত অতিক্রম করে। এই সীমান্ত কোনো দেশের অভ্যন্তরস্থ সীমান্ত বা আন্তর্জাতিক সীমান্ত হতে পারে। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ২৬০টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা প্রায় ৫৮ টি। সেগুলো হচ্ছে . রায়মঙ্গল নদী, ২. ইছামতি-কালিন্দি নদী, ৩. বেতনা-কোদালিয়া নদী, ৪. ভৈরব-কপোতাক্ষ নদ, ৫. মাথাভাঙ্গা নদী, ৬. গঙ্গা নদী, . পাগলা নদী, ৮. আত্রাই নদী, ৯. পুনর্ভবা নদী, ১০. তেতুলিয়া নদী, ১১. টাংগন নদী, ১২. কুলিক নদী, ১৩. নাগর নদী, ১৪. মহানন্দা নদী, ১৫. ডাহুক নদী, ১৬. করতোয়া নদী, ১৭. তালমা নদী, ১৮. ঘোড়ামারা নদী, ১৯. দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদী, ২০. বুড়ি তিস্তা নদী, ২১. তিস্তা নদী, ২২. ধরলা নদী, ২৩. দুধকুমার নদ, ২৪. ব্রহ্মপুত্র, ২৫. জিঞ্জিরাম নদী, ২৬. চেল্লাখালি নদী, ২৭. ভোগাই নদী, ২৮. সোমেশ্বরী নদী, ২৯. জালুখালি নদী, ৩০. নয়াগাঙ নদী, ৩১. উমিয়াম নদী, ৩২. যাদুকাটা নদী, ৩৩. ধলা নদী, ৩৪. পিয়াইন নদী, ৩৫. সারিগোয়াইন নদী, ৩৬. সুরমা নদী, ৩৭. কুশিয়ারা নদী, ৩৮. সোনাই-বরদল নদী, ৩৯. জুরি নদী, ৪০. মনু নদী, ৪১. ধলাই নদী, ৪২. লংলা নদী, ৪৩. খোয়াই নদী, ৪৪. সুতাং নদী, ৪৫. সোনাই নদী, ৪৬. হাওড়া নদী, ৪৭. বিজনী নদী, ৪৮. সালদা নদী, ৪৯. গোমতী নদী, ৫০. কাঁকড়ি-ডাকাতিয়া নদী, ৫১. সিলোনিয়া নদী, ৫২. মুহুরী নদী, ৫৩. ফেনী নদী, ৫৪. কর্ণফুলি নদী, ৫৫. নিতাই নদী, ৫৬. সাঙ্গু নদী, ৫৭. মাতামুহুরী নদী, ৫৮. নাফ নদী



পাউবো নির্ধারিত অন্যান্য নদী: বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো বাংলাদেশের নদীগুলোকে সংখ্যাবদ্ধ করেছে এবং প্রতিটি নদীর একটি পরিচিতি নম্বর দিয়েছে  এর ফলে তাদের হিসাব অনুযায়ি বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা এখন ৪০৫টি পাউবো কর্তৃক নির্ধারিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী (১০২টি), উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী (১১৫টি), উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী (৮৭টি), উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী (৬১টি), পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী (১৬টি) এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী (২৪টি) হিসেবে বিভাজন করে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী: ১. আঠারবাঁকি নদী, ২. আড়িয়াল খাঁ নদী, ৩. আতাই নদী, ৪. আন্ধারমানিক নদী, ৫. আফ্রা নদী, ৬. অর্পণগাছিয়া নদী, ৭. ইছামতি-কালিন্দি নদী, ৮. কচা নদী, ৯. কপোতাক্ষ নদী, ১০. কুমার নদ (চুয়াডাঙ্গা), ১১. কুমার নদী (ফরিদপুর-গোপালগঞ্জ), ১২. কুমার আপার নদী, ১৩. কুমার লোয়ার নদী, ১৪. কয়রা নদী, ১৫. করুলিয়া নদী, ১৬. কাকশিয়ালী নদী, ১৭. কাজীবাছা নদী, ১৮. কাটাখালী নদী, ১৯. কাটাখাল নদী, ২০. কালীগঙ্গা নদী (পিরোজপুর), ২১. কীর্তনখোলা নদী, ২২.  খায়রাবাদ নদী, ২৩. খোলপেটুয়া নদী, ২৪. গড়াই নদী, ২৫. গুনাখালি নদী, ২৬. গলঘেসিয়া নদী, ২৭. গুলিশাখালী নদী, ২৮. ঘাঘর নদী, ২৯. ঘাসিয়াখালী নদী, ৩০. চত্রা নদী, ৩১. চুনকুড়ি নদী, ৩২. চন্দনা-বারাশিয়া নদী, ৩৩. চাটখালী নদী, ৩৪. চিত্রা নদী, ৩৫. ঝপঝপিয়া নদী, ৩৬. টর্কি নদী, ৩৭. টিয়াখালি নদী, ৩৮. ঢাকি নদী, ৩৯. তেঁতুলিয়া নদী, ৪০. তেলিগঙ্গা-ঘেংরাইল নদী, ৪১. দড়াটানা-পয়লাহারা নদী, ৪২. দাড়ির গাঙ নদী, ৪৩. দেলুতি নদী, ৪৪. নুন্দা-উত্রা নদী, ৪৫. নবগঙ্গা নদী, ৪৬. নড়িয়া নদী, ৪৭. নেহালগঞ্জ-রঙমাটিয়া নদী, ৪৮. পটুয়াখালী নদী, ৪৯. পুটিমারি নদী, ৫০. পুরাতন পশুর নদী, ৫১. পশুর নদী, ৫২. পাণ্ডব নদী, ৫৩. পানগুছি নদী, ৫৪. পালং নদী, ৫৫. ফটকি নদী, ৫৬. বগী নদী, ৫৭. বুড়িশ্বর-পায়রা নদী, ৫৮. বলেশ্বর নদী, ৫৯. বাদুড়গাছা নদী, ৬০. বিশখালী নদী, ৬১. বিশারকন্দা-বাগদা নদী, ৬২. বিষ্ণু-কুমারখালি নদী, ৬৩. বেগবতী নদী, ৬৪. বেতনা নদী, ৬৫. বেলুয়া নদী, ৬৬. ভদ্রা নদী, ৬৭. ভুবনেশ্বর নদী, ৬৮. ভৈরব নদ, ৬৯. ভৈরব নদী (বাগেরহাট), ৭০. ভৈরব-কপোতাক্ষ নদ, ৭১. ভোলা নদী, ৭২. মংলা নদী, ৭৩. মুক্তেশ্বরী টেকা নদী, ৭৪. মধুমতি নদী, ৭৫. মরিচ্চাপ-লবঙ্গবতী নদী, ৭৬. মাথাভাঙ্গা নদী, ৭৭. মাদারগাঙ নদী, ৭৮. মাদারীপুর বিলরুট নদী, ৭৯. মালঞ্চ নদী, ৮০. মিনহাজ নদী, ৮১. রূপসা নদী, ৮২. রাবনাবাদ নদী, ৮৩. রায়মঙ্গল নদী, ৮৪. লোহালিয়া নদী, ৮৫. শাকবাড়িয়া নদী, ৮৬. শাতলা-হারতা-নাথারকান্দা নদী, ৮৭. শালদহ নদী, ৮৮. শিবসা নদী, ৮৯. শোলমারি নদী, ৯০. সুগন্ধা নদী, ৯১. সন্ধ্যা নদী, ৯২. সয়া-হাড়িভাঙ্গা নদী, ৯৩. সাপমারা-হাবড়া নদী, ৯৪. সালতা নদী, ৯৫. সিরাজপুর হাওর নদী, ৯৬. হরি নদী, ৯৭. হরিহর নদী, ৯৮. হামকুড়া নদী, ৯৯. হাড়িয়া নদী, ১০০. হাপরখালী নদী, ১০১. হাবরখালী নদী, ১০২. হিশনা-ঝাঞ্চা নদী

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী: . আখিরা-মাচ্চা নদী, . আত্রাই নদী, . আত্রাই বা কাঁকড়া নদী (দিনাজপুর), . আত্রাই বা গুড় নদী (নওগাঁ-নাটোর), . আত্রাই নদী (পাবনা), . আলাই নদী, . আলাইকুমারী নদী, . ইছামতি নদী (দিনাজপুর), . ইছামতি নদী (পাবনা), ১০. ইছামতি নদী (বগুড়া), ১১. ইছামতি নদী (বগুড়া-সিরাজগঞ্জ), ১২. ইরামতি নদী, ১৩. করতোয়া নদী, ১৪. করতোয়া নদী (নীলফামারী), ১৫. কাগেশ্বরী নদী, ১৬. কাটাখালী নদী, ১৭. কালা নদী, ১৮. কালাপানি নদী, ১৯. কালুদাহা নদী, ২০. কুমলাল-নাউতারা নদী, ২১. কুরুম নদী, ২২. কুলিক নদী, ২৩. খড়খড়িয়া-তিলাই নদী, ২৪. খালসিডিঙ্গি নদী, ২৫. গদাই নদী, ২৬. গভেশ্বরী নদী, ২৭. পদ্মা নদী, ২৮. গাংনাই নদী, ২৯. গিদারী নদী, ৩০. গিরাই নদী, ৩১. শুকসী নদী, ৩২. গোবরা নদী, ৩৩. গোহালা নদী, ৩৪. ঘড়িয়া খাল নদী, ৩৫. ঘাঘট নদী, ৩৬. ঘিরনাই নদী, ৩৭. ঘোড়ামারা নদী, ৩৮. চাওয়াই নদী, ৩৯. চিকনাই নদী, ৪০. চিকলী নদী, ৪১. চিরি নদী, ৪২. চিড়ি নদী, ৪৩. চুঙ্গাভাঙ্গা নদী, ৪৪. ছাতনাই নদী, ৪৫. ছোট ঢেপা নদী, ৪৬. ছোট যমুনা নদী, ৪৭. ছোট সেনুয়া নদী, ৪৮. টাঙ্গন নদী, ৪৯. ডাহুক নদী, ৫০. ঢেপা নদী, ৫১. তালমা নদী, ৫২. তিস্তা নদী, ৫৩. তিস্তা নদী (পঞ্চগড়), ৫৪. তীরনই নদী, ৫৫. তীরনই নদী (পঞ্চগড়), ৫৬. তুলসীগঙ্গা নদী, ৫৭. দুধকুমার নদ, ৫৮. দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদী, ৫৯. ধরলা নদী, ৬০. ধাইজান নদী, ৬১. ধুম নদী, ৬২. নর্ত নদী, ৬৩. নলশীসা নদী, ৬৪. নলেয়া নদী, ৬৫. নাগর আপার নদী, ৬৬. নাগর লোয়ার নদী, ৬৭. নারোদ নদী, ৬৮. পলিমারি নদী, ৬৯. পাগলা নদী, ৭০. পাথরঘাটা নদী, ৭১. পাথরাজ নদী, ৭২. পুনর্ভবা নদী, ৭৩. পেটকী নদী, ৭৪. ফকিরনী নদী, ৭৫. ফুলকুমার নদী, ৭৬. ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, ৭৭. বড়াল আপার নদী, ৭৮. বড়াল লোয়ার নদী, ৭৯. বাঙালি নদী, ৮০. বাদাই নদী, ৮১. বার্নাই নদী, ৮২. বান্নী নদী, ৮৩. বুরাইল নদী, ৮৪. বুল্লাই নদী, ৮৫. বুড়িখোড়া নদী, ৮৬. বুড়ি তিস্তা নদী, ৮৭. বেরং নদী, ৮৮. বেলান নদী, ৮৯. বেসানী নদী, ৯০. বোরকা নদী, ৯১. ভাদাই নদী, ৯২. ভুল্লী নদী, ৯৩. ভেরসা নদী, ৯৪. মহানন্দা আপার নদী, ৯৫. মহানন্দা লোয়ার নদী, ৯৬. মাইলা নদী, ৯৭. মালদাহা নদী, ৯৮. মুসাখান নদী, ৯৯. মানস নদী, ১০০. যমুনা নদী (পঞ্চগড়), ১০১. রতনাই নদী, ১০২. রামচণ্ডি নদী, ১০৩. রাক্ষসিনী-তেঁতুলিয়া নদী, ১০৪. লেংগা নদী, ১০৫. লোনা নদী, ১০৬. শিব নদী, ১০৭. সতী-স্বর্ণামতি-ভাটেশ্বরী নদী, ১০৮. সিমলাজান নদী, ১০৯. সিরামাখালী খাল নদী, ১১০. সিংগিমারী নদী, ১১১. সুই নদী, ১১২. সেনুয়া নদী, ১১৩. সোজ নদী, ১১৪. হারাবতী নদী, ১১৫. হুরাসাগর নদী। 

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী: . আত্রাখালি নদী, ২. আবুয়া নদী বা নান্দিয়া গাং, . আমরি খাল নদী, . ইসদার খাল-বারভাঙ্গা নদী, ৫. উপদাখালী নদী, ৬. উমিয়াম নদী, . কর্ণঝরা নদী, ৮. কর্ণ-বালজা নদী, . করিস নদী, ১০. কাঁচামাটিয়া নদী, ১১. কাপনা নদী, ১২. কামারখাল নদী, ১৩. কামারখালী নদী, ১৪. কালদাহার-কানিয়াকুল নদী, ১৫. কালনী নদী, ১৬. কালাপানিঝরা নদী, ১৭. কুশিয়ারা নদী, ১৮. কোরাঙ্গী নদী, ১৯. খাজাচিং নদী, ২০. খাসিমারা নদী, ২১. খেপা নদী, ২২. খোয়াই নদী, ২৩. গুমাই নদী, ২৪. ঘাগটিয়া নদী, ২৫. ঘানুরা-বগালা নদী, ২৬. ঘোড়াউত্রা নদী, ২৭. চামতি নদী, ২৮. চিতলখালী নদী, ২৯. চেলা নদী, ৩০. জাফলং-ডাউকি নদী, ৩১. জালিয়া ছড়া নদী, ৩২. জালুখালি নদী, ৩৩. জুরী নদী, ৩৪. ডাউকা নদী, ৩৫. ধলা নদী, ৩৬. দুধদা নদী, ৩৭. দোলতা নদী, ৩৮. ধনু নদী, ৩৯. ধলাই-বিসনাই নদী, ৪০. ধলাই নদী, ৪১. নকলা-সুন্দ্রাকাশি নদী, ৪২. নরসুন্দা নদী, ৪৩. নলজুর নদী, ৪৪. নয়াগাং নদী, ৪৫. নয়াগাঙ নদী, ৪৬. নিতাই নদী, ৪৭. পাটনাই-পাইকারতলা নদী, ৪৮. পাবিজুড়ি-কুশি গাঙ-কুশিয়া নদী, ৪৯. পিয়াইন নদী, ৫০. পিয়াইন নদী (সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনা), ৫১. পুরনো সুরমা নদী, ৫২. পোড়া খাল-খাইয়া নদী, ৫৩. বটরখাল নদী, ৫৪. বড় গাং নদী, ৫৫. বাউলাই নদী, ৫৬. বাথাইল নদী, ৫৭. বালই নদী, ৫৮. বিজনা-গুঙ্গাইজুরি নদী, ৫৯. বিবিয়ানা নদী, ৬০. বেকরা নদী, ৬১. বেতৈর নদী, ৬২. বেদুরি খাল নদী, ৬৩. ভাবনা-বাঁশিয়া-বহিয়া গাং নদী, ৬৪. ভোগাই-কংস নদী, ৬৫. মগড়া নদী, ৬৬. মনু নদী, ৬৭. মরা সুরমা নদী, ৬৮. মহারশি নদী, ৬৯. মহাসিং নদী, ৭০. মালিজি নদী, ৭১. মিরগী নদী, ৭২. জাদুকাটা নদী, ৭৩. লংলা নদী, ৭৪. লাইন নদী, ৭৫. লাউরানজানি নদী, ৭৬. লুভা নদী, ৭৭. সাইদুলি-বারনি নদী, ৭৮. সাতারখালী নদী, ৭৯. সারি গোয়াইন নদী, ৮০. সিনাই নদী, ৮১. সিঙ্গুয়া নদী, ৮২. সুতাং নদী, ৮৩. সুরমা নদী, ৮৪. সোনাই-বরদাল নদী, ৮৫. সোমেশ্বরী নদী, ৮৬. সোমেশ্বরী নদী (ধর্মপাশা), ৮৭. সোমেশ্বরী নদী (শ্রীবর্দী-ঝিনাইগাতি)

উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী: . আইমান-আখিলা নদী, ২. আইমান-মোবারি নদী, ৩. আড়িয়াল খাঁ নদী, . ইছামতি নদী (মানিকগঞ্জ), . ইছামতি নদী (সিরাজদিখান), . ইলিশমারী নদী, ৭. এলংজানী নদী, ৮. কাটাখালী নদী, . কালিগঙ্গা নদী (মানিকগঞ্জ), ১০. খিরো নদী (ত্রিশাল), ১১. খিরো নদী (ভালুকা), ১২. গাংডুবি নদী, ১৩. গাজীখালী নদী, ১৪. গোল্লার খাল নদী, ১৫. চাতাল নদী, ১৬. চাপাই নদী, ১৭. চিলাই নদী, ১৮. জয়পাড়া খাল নদী, ১৯. ঝারকাটা নদী, ২০. জিঞ্জিরাম নদী, ২১. ঝিনাই নদী, ২২. টঙ্গী খাল নদী, ২৩. টংকি খাল নদী, ২৪. তালতলা খাল নদী, ২৫. তুরাগ নদী, ২৬. তুলসীখালী খাল নদী, ২৭. ধলেশ্বরী নদী, ২৮. নাগদা খাল নদী, ২৯. নাঙ্গলা নদী, ৩০. নালজুরি খাল নদী, ৩১. নাংলী নদী, ৩২. পদ্মা নদী, ৩৩. পাগারিয়া-শিলা নদী, ৩৪. পারুলি খাল নদী, ৩৫. পাহাড়িয়া নদী, ৩৬. পুরনো ধলেশ্বরী নদী, ৩৭. পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী, ৩৮. পুংলী নদী, ৩৯. বংশী নদী, ৪০. বংশী নদী (সাভার), ৪১. ব্রহ্মপুত্র নদী (নরসিংদী-মুন্সীগঞ্জ), ৪২. বাকসাতরা নদী, ৪৩. বাজ্জা-মেধুয়া নদী, ৪৪. বানার আপার নদী, ৪৫. বানার লোয়ার নদী, ৪৬. বালু নদী, ৪৭. বুড়িগঙ্গা নদী, ৪৮. বৈরান নদী, ৪৯. বোশখালীর খাল নদী, ৫০. মরা জিঞ্জিরাম নদী, ৫১. মাহারি নদী, ৫২. মিনিখালী নদী, ৫৩. লাবুন্ধা নদী, ৫৪. লৌহজং নদী, ৫৫. শীতলক্ষ্যা নদী, ৫৬. সালদা নদী, ৫৭. সুতী নদী, ৫৮. সুতিয়া নদী, ৫৯. সোনাখালী নদী, ৬০. হাই নদী, ৬১. হাড়িদোয়া নদী।

পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের নদী: ১. ইছামতি নদী (রাঙ্গামাটি), . ঈদগাও নদী, ৩. কর্ণফুলি নদী, ৪. কাসালং নদী, ৫. চিংড়ি বা চেঙ্গি নদী, . ডলু খাল-টংকাবতী খাল নদী, ৭. নাফ নদী, ৮. বুড়া মাতামুহুরী নদী, ৯. বাঁকখালি নদী, ১০. ভারুয়াখালি নদী, ১১. ভোলাখাল নদী, ১২. মাইনী নদী, ১৩. মাতামুহুরী নদী, ১৪. রাংখাইন নদী, ১৫. সাঙ্গু নদী, ১৬. হালদা নদী।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী: ১. আর্সি-নালিয়া নদী, ২. কাকড়ি নদী, ৩. কাস্তি নদী, ৪. গোমতী নদী, ৫. ঘুংঘুর নদী, ৬. ছোট ফেনী নদী, ৭. ডাকাতিয়া নদী, ৮. ডাসাডিয়া নদী, ৯. তিতাস নদী, ১০. তিতাস নদী (নরসিংদী সদর-বাঞ্ছারামপুর), ১১. ধনাগোদা নদী, ১২. ফেনী নদী, ১৩. বিজলি নদী, ১৪. বুড়ি নদী, ১৫. ভুলুয়া নদী, ১৬. মুহুরী নদী, ১৭. মেঘনা আপার নদী, ১৮. মেঘনা লোয়ার নদী, ১৯. লহর নদী, ২০. লংগন বলভদ্রা নদী, ২১. সালদা নদী, ২২. সেলোনিয়া নদী, ২৩. সোনাই নদী, ২৪. হাওড়া নদী।

অন্যান্য নদী: উপরে উল্লেখিত ৪০৫টি নদী ছাড়াও বাংলাদেশে আরও চার শতাধিক নদী রয়েছে সেসবের কিছু নদীর নাম নিচে দেয়া হলও
১. আউলিয়াখানা নদী, ২. আমনদামন নদী, ৩. আস্তাইল নদী, ৪. কাওরাইদ নদী, ৫. কাজীপুর নদী, ৬. কালিন্দী নদী, ৭. খাড়িয়া নদী, ৮. গুমানি নদী, ৯. খোয়াথল্যাংতুইপুই নদী, ১০. চোরখাই নদী, ১১. জলঢাকা নদী, ১২. তেতুলিয়া নদী, ১৩. তৈনগাঙ, ১৪. থেগা নদী, ১৫. নাগেশ্বরী নদী, ১৬. ধানখালী নদী, ১৭. ধানসিঁড়ি নদী, ১৮. নীলগঞ্জ নদী, ১৯. পঞ্চবেণী, ২০. প্রাণসায়র নদী, ২১. বড়াল নদী, ২২. বরাক নদী, ২৩. বান্দসা নদী, ২৪. বুড়ো গৌরাঙ্গ নদী, ২৫. ময়ুর নদী, ২৬. রায়ডাক নদী, ২৭. লঙ্গাই নদী, ২৮. শুক নদী, ২৯. হরবাংছড়া নদী, ৩০. হরিণঘাটা নদী, ৩১. হাড়িয়াভাঙা নদী, ৩২. হেরাচামতি নদী।

তথ্যসূত্র:
. আন্তঃসীমান্ত_নদী, http://bn.banglapedia.org/index.php?title=আন্তঃসীমান্ত_নদী, ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া
২. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৭-, ISBN 984-70120-0436-4.



আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

৩. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

৪. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ