Wednesday, December 17, 2014

তিনডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক স্তন্যপায়ী, Funambulus palmarum



তিনডোরা কাঠবিড়ালি, ফটো: ইংরেজি উইকিপিডিয়া থেকে

বাংলা নাম: তিনডোরা কাঠবিড়ালি
ইংরেজি নাম: Indian Palm Squirrel, Three-striped Palm Squirrel.
বৈজ্ঞানিক নাম: Funambulus palmarum
সমনাম:  

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য Kingdom: Animalia
বিভাগ/ Phylum: Chordata
শ্রেণী/ Class: Mammalia
বর্গ/ Order: Rodenta
পরিবার/Family: Sciuridae,
গণ/ Genus: Funambulus, Lesson, 1835;
প্রজাতি/ Species: Funambulus palmarum (Linnaeus, 1766)
ভূমিকা: বাংলাদেশের স্তন্যপায়ীদের মধ্যে Funambulus গণে আছে দুই প্রজাতির কাঠবিড়ালি। এরা হচ্ছে পাঁচডোরা এবং আমাদের আলোচ্য তিনডোরা কাঠবিড়ালি।
বর্ণনা: তিনডোরা কাঠবিড়ালি দীর্ঘ ও ঝোপযুক্ত লেজ, ধারালো নখর এবং বড় কানবিশিষ্ট কাঠবিড়ালি[১] বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত[২] এদের পিঠের ওপর তিনটি সাদা ডোরা দাগ আছে।
স্বভাব: তিনডোরা কাঠবিড়ালি দিবাচর, বৃক্ষবাসী ও ভূচর স্তন্যপায়ী প্রাণী। দ্রুতবেগে ছুটে ও দ্রুততার সাথে গাছে উঠতে পারে। এরা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বৃষ্টিপ্রধান বন থেকে আর্কটিক তুন্দ্রা অঞ্চলে বিচরণ করে। এটি গাছের চূড়া থেকে ভূনিম্নস্থ সুড়ঙ্গেও থাকতে পারে।[১]  
বিস্তৃতি: তিনডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক প্রাণিবাংলাদেশ ছাড়া এরা ভারত, মিয়ানমার ও শ্রীলংকায় পাওয়া যায়।[১]
অবস্থা: তিনডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশে সুলভ ও বিশ্বে শঙ্কাহীন বলে বিবেচিত।
বিবিধ: তিনডোরা কাঠবিড়ালি প্রায় গাছের বাকল খায় ও বাকল উঠায়। আবাদি বনের গাছকে দুর্বল করে।

১. জিয়া উদ্দিন আহমেদ (সম্পা.), ''বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ: স্তন্যপায়ী'', খণ্ড: ২৭ (ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ২০০৯), পৃ. ৪২-৪৪।
২. বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জুলাই ১০, ২০১২, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পৃষ্ঠা-১১৮৪৯১

আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

৩. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

Wednesday, December 03, 2014

ল্যাঞ্জা রাতচরা বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি




ল্যাঞ্জা রাতচরা, ফটো: উইকিপিডিয়া থেকে

দ্বিপদ নাম/Scientific Name: Caprimulgus macrurus
সমনাম: নেই
বাংলা নাম: ল্যাঞ্জা রাতচরা, লম্বা লেজ রাতচরা,

ইংরেজি নাম/Common Name: Large-tailed Nightjer.


জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য/Kingdom: Animalia
বিভাগ/Phylum: Chordata
শ্রেণী/Class: Aves
পরিবার/Family: Caprimulgidae
গণ/Genus: Caprimulgus, Linnaeus, 1758;
প্রজাতি/Species: Caprimulgus macrurus (Horsefield, 1821)
ভূমিকা: বাংলাদেশের পাখির তালিকাCaprimulgus গণে বাংলাদেশে রয়েছে এর টি প্রজাতি এবং পৃথিবীতেও রয়েছে ৫৭টি প্রজাতি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রজাতি চারটি হচ্ছে ১. মেঠো রাতচরা, ২. দেশি রাতচরা, ৩. মেটে রাতচরা ও ৪. ল্যাঞ্জা রাতচরা। আমাদের আলোচ্য প্রজাতিটির নাম হচ্ছে ল্যাঞ্জা রাতচরা
বর্ণনা: ল্যাঞ্জা রাতচরা প্রশস্ত লেজের নিশাচর পাখি। এদের দৈর্ঘ্য ৩৩ সেমি, ডানা ২২ সেমি, ঠোঁট ২.২ সেমি, পা ২ সেমি ও লেজ ১৬ সেমি। মার্চ-মে এদের প্রজনন মৌসুম। তখন এরা মাটির উপরে বা ঝরাপাতার উপর দু’টি ডিম পাড়ে। দু’জনে মিলে পালা করে ডিমে তা দেয়। ষোলো অথবা বিশ দিন পর ছানা বের হয়। ছানাগুলোর শরীরে সোনালি আভাযুক্ত ধূসর ও হলুদাভ পালক গজায়। সারা দেশেই কম-বেশি দিনে কানাদের দেখা যায়।
স্বভাব: ল্যাঞ্জা রাতচরা বনের শুকনো লতাপাতা, ডালপালা আর মাটির সঙ্গে অনায়াসে মিশে যায়। এদের শরীরের রং আর ওই বিবর্ণ লতাপাতার রং বড় আশ্চর্যজনকভাবে মিলে যায়। স্বাভাবিক চোখে কখনোই এ পার্থক্য ধরা পড়ে না। এরা বাংলাদেশের একমাত্র পাখি যারা ডিম ও ছানা সরিয়ে নিতে পারে। এরা নিশাচর। সন্ধ্যায় ও ভোরে এরা বেশ তৎপর এবং জোরে জোরে একটানা ডাকে। এদের মূল খাদ্য উড়ন্ত পোকামাকড়। উড়তে উড়তেই মুখ হা করে পোড়ামাকড় ধরে থাকে। 
বিস্তৃতি: ল্যাঞ্জা রাতচরা বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক পাখি। সব বিভাগের বন ও বাগানে পাওয়া যায়।
অবস্থা: ২০০৯ সালে এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষে এটিকে বাংলাদেশে ও বিশ্বে বিপদমুক্ত বলে বর্ণনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের ১৯৭৪ সালের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতি সংরক্ষিত।

আরো পড়ুন:

Sunday, November 30, 2014

পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক স্তন্যপায়ী




পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি, ফটো: Sourav Mahmud

বাংলা নাম: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি
ইংরেজি নাম: Five-striped Palm Squirrel, Northern Indian Palm Squirrel.
বৈজ্ঞানিক নাম: Funambulus pennantii
সমনাম:  

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য Kingdom: Animalia
বিভাগ/ Phylum: Chordata
শ্রেণী/ Class: Mammalia
বর্গ/ Order: Rodenta
পরিবার/Family: Sciuridae,
গণ/ Genus: Funambulus, Lesson, 1835;
প্রজাতি/ Species: Funambulus pennantii (Wroughton, 1905)
ভূমিকা: বাংলাদেশের স্তন্যপায়ীদের মধ্যে পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি দীর্ঘ ও সরু দেহের একটি প্রাণি।
বর্ণনা: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালির দেহের পশম ঘন সন্নিবিষ্ট এবং লেজও ঘন ঝোপযুক্ত। মাথা প্রশস্ত গোলাকার, চোখ বড় এবং কান স্পষ্ট ও ত্রিকোণাকার।  
স্বভাব: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি দিবাচর, বৃক্ষবাসী ও ভূচর স্তন্যপায়ী প্রাণী।
বিস্তৃতি: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশের সুলভ আবাসিক প্রাণিবাংলাদেশ ছাড়া এরা ভারতের উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমবঙ্গ এবং নেপালে বিস্তৃত। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং অস্ট্রেলিয়ায় এর অনুপ্রবেশ লক্ষ্য করা গেছে।
অবস্থা: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি বাংলাদেশে সুলভ ও বিশ্বে কম শঙ্কাহীন বলে বিবেচিত।
বিবিধ: পাঁচডোরা কাঠবিড়ালি অনুপ্রবেশিত যোগ্য কোনো বৃক্ষ কিংবা দালানে আশ্রয় নেয়। এর প্রাকৃতিক খাদ্যের অপ্রযাপ্ততা রয়েছে।

আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

৩. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

৪. বাংলাদেশের ফলবৈচিত্র্যের একটি বিস্তারিত পাঠ

Wednesday, November 26, 2014

কনকচাঁপা বাংলাদেশের আলংকারিক ফুল




কনকচাঁপা
বৈজ্ঞানিক নাম: Ochna squarrosa
বাংলা নাম: কনকচাঁপা, রামধন চাঁপা
ইংরেজি নাম:

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae - Plants
অবিন্যসিত: Angiosperms
অবিন্যসিত: Eudicots
অবিন্যসিত: Rosids
বর্গ: Malpighiales
পরিবার: Ochnaceae
গণ: Ochna
প্রজাতি: Ochna squarrosa
পরিচিতি: কনকচাঁপার আরেক নাম হচ্ছে রামধন চাঁপা। এটি আমাদের দেশীয় ফুল। বসন্তে তামাটে রঙের কচিপাতার সাথে হলুদ সুগন্ধী ফুলের ছোট ছোট থোকায় গাছ ভরে উঠে। পাপড়ি হলুদ, পুংকেশর সোনালী, পরাগধানীর চেয়ে পরাগদণ্ড খাটো। সিলেট ও পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায়।

ব্যবহার: এটি আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

আরো পড়ুন:

. বাংলাদেশের ঔষধি উদ্ভিদের একটি বিস্তারিত পাঠ

. বাংলাদেশের পাখির তালিকা 

৪. বাংলাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা